মানসিক বিকাশের কেন্দ্র গণ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২০, ০০:০০

ক্যাম্পাস ডেস্ক

জ্ঞান অর্জনের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হলো বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের জনগণকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার দায়িত্ব সেই দেশের সরকারের। কিন্তু বাংলাদেশের মত বিশাল জনসংখ্যার দেশে জনগণকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার কাজটি সরকার সম্পূর্ণ করতে না পারায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

আর তারই মধ্যে পরিসরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের কোলঘেঁষে গড়ে উঠা গণ বিশ্ববিদ্যালয়। সম্পূর্ণ আদর্শ মানুষ ও অভিন্ন পরিবেশের মানসিক বিকাশের যৌক্তিক প্রত্যাশা। এর সঙ্গে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক প্রয়োজনীয়তার স্বার্থ গভীরভাবে সংশ্লিষ্ট। যেখানে উৎসাহ দেয়া হয় নতুন চিন্তা চেতনাকে এবং মেধাকে মূল্যায়ন করা হয় দৃশ্যমান ফলাফলের ভিত্তিতে।শিক্ষার সুষ্ঠ বিকাশের জন্য প্রয়োজন মনোরম পরিবেশ তবেই সম্ভব জ্ঞানের পরিধির সঠিক বিস্তার । আর গণ বিশ্ববিদ্যালয় হল সেই সঠিক জায়গা। গণবিতে প্রতিটি বিভাগের প্রতিটি কোর্স খুবই ভালমতো পড়ানো হয় এবং প্রতিটি বিষয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক ম-লী তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সর্বদা নিয়োজিত। আন্তরিকতা এবং ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি বন্ধু-সুলভ আচরণের মাধ্যমে পাঠদান করে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষের প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন পরিম-লে রয়েছে স্ব স্ব বিভাগের অত্যাধুনিক এবং মানসম্মত ল্যাবসমুহ। এছাড়া রয়েছে সুবিশাল পাঠাগার যেখানে গণবির শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের প্রয়োজনীয় বইসমূহ অধ্যয়ন করতে পারেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রকে এমনভাবে গড়ে তলা হয় যেন সে তার বিচনতা ও দূরদর্শিতাকে শানিত করে ঠিকই অসুন্দরকে ভেদ করতে পারে অনায়াসে।

শুধু পড়াশুনা নয় গণবি এগিয়ে আছে খেলাধুলা এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে নিজস্ব সুবিশাল মাঠ যেখানে মনোরম পরিবেশে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা করা হয় । বিভিন্ন খেলা ধুলায় ছাত্রদের পাশাপাশি সমান্তরালে অংশগ্রহণ করে ছাত্রীরা যা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিরল। সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের মধ্যে থাকে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন। এমন কি নবীনদের বরণ করে নিতে গণবির প্রবীণদের আগ্রহের কমতি নেই। বৈশাখি মেলা, পিঠা উৎসব, বসন্ত বরণ কিংবা চৈত্র সংক্রান্তি আয়োজন গুলোতে সকলের সমান অংশগ্রহণ। গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পাশাপাশি বাঙালি ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক চেতনার বিকাশ ঘটবে। সামাজিক প্রবহমানতায় গণবি চায় নিজের শেষ্ঠত্ব দিয়ে ছাত্রকে যোগ্য হিসাবে গড়ে তুলতে। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সূক্ষ্ম নিয়ম শৃঙ্খলা একটি ছাত্রকে ভাল মানুষ হতে সাহায্য করে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দেয়াই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র লক্ষ্য।

 

"

সর্বাধিক পঠিত