সিকৃবিতে কৃষি অনুষদের এক যুগ উদযাপিত

প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২০, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

কৃষিই কৃষ্টি, কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানকে সামনে রেখে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) উদযাপন করা হয় কৃষি অনুষদের এক যুগপূর্তি ও এগ্রিফেস্টিভ্যাল ২০২০। যুগপূর্তি উপলক্ষে নানা আয়োজনে মেতে উঠেছিলেন বিভাগীয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। গত বৃহস্পতিবার সকালে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিকৃবির ভিসি ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। ভিসি ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদারের নেতৃত্বে র‌্যালিটি সমগ্র ক্যাম্পাস ঘুরে শেষে কৃষি অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়।

র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ভিসি বলেন, কৃষির উন্নয়নের ফলেই দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষির আধুনিকায়নের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই। আর বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলাতে হলে কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিকালে কৃষি অনুষদের বিভিন্ন বর্ষের সর্বোচ্চ নম্বরধারী ১২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এগ্রিফেস্টিভ্যাল উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. আবদুল মুকিতের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ড. মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভিসি মতিয়ার রহমান হাওলাদার এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি অনুষদের ডিন ড. মো. রুহুল আমিন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক ড. মিটু চৌধুরী এবং প্রক্টর ড. সোহেল মিঞা। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে এগ্রিফেস্টিভ্যালের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৯ এপ্রিল ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কৃষি অনুষদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরই মধ্যে এই অনুষদ থেকে ৪৭৯ জন শিক্ষার্থী স্নাতক, ১৮২ জন মাস্টার্স এবং একজন পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ে ৪ শতাধিক, মাস্টার্সে দেড় শতাধিক এবং পিএইচডিতে ৯ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। এছাড়া ৯ বিদেশি শিক্ষার্থী কৃষি অনুষদে অধ্যয়ন করছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কৃষি অনুষদের শিক্ষক ও গবেষকরা বিভিন্ন ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তন্মধ্যে গ্রীষ্মকালীন সিম ও টমেটোর জাত উদ্ভাবন, সিলেট অঞ্চলের কৃষকদের সহায়তার জন্য কৃষি আবহাওয়া স্টেশন স্থাপন, হাওরের কৃষকদের জীবন মান উন্নয়ন কার্যক্রম, বন্যার হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য আগাম জাতের ধানের চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

 

"