সিকৃবিতে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য বিশেষ কোটা দাবি

প্রকাশ : ১৯ মে ২০১৯, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন চা জনগোষ্ঠী থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বশীল নেতারা ও সিলেটের সুশীল সমাজ। শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা চা শ্রমিক সন্তানদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে ১৬ মে বৃহস্পতিবার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান তারা।

এ সময় তারা উপাচার্যের কাছে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেন। পরে উপাচার্যের সঙ্গে প্রতিনিধিত্বশীল নেতারা এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মিলিত হন।

চা শ্রমিক শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিলের আহ্বায়ক সজল ছত্রীর নেতৃত্বে সিলেট চা জনগোষ্ঠী ছাত্র যুব কল্যাণ পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় চা ছাত্র সংসদের মাধ্যমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সজল ছত্রী বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে সিলেট বিভাগ শিক্ষায় পিছিয়ে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ চা জনগোষ্ঠী। সিলেট বিভাগের চা বাগানগুলোতে শিক্ষার দুরবস্থা দেখলে এটি স্পষ্ট হয়।

শাবিপ্রবিতে চা শ্রমিক সন্তানদের বিশেষ কোটা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের পরিচয়ই হচ্ছে চা বাগান। কিন্ত এ চা চাষের শ্রমিকরা ৫০ বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের সন্তানরাও উপযুক্ত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না। এ থেকে উত্তরণের মূল উপায় হচ্ছে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা। ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুল কবির বলেন, চা জনগোষ্ঠী উন্নয়নে শিক্ষার বিকল্প নেই। এ জন্যই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি কোটা পদ্ধতি চালু হয়, তাহলে চা শ্রমিকের সন্তানেরা শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করি। সিলেট চা জনগোষ্ঠী ছাত্র যুবকল্যাণ পরিষদের সভাপতি দিলীপ রঞ্জন কুর্মী বলেন, চা শ্রমিকদের দৈনিক মজরি ১০২ টাকা। এ অর্থ দিয়ে মৌলিক অধিকারই পূরণ করা সম্ভব নয়। এ কারণে শিক্ষায় চা শ্রমিকরা এতো পিছিয়ে। সিকৃবি উপাচার্য ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার বলেন, কাউকে পেছনে ফেলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয়। এজন্যই আমরা চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য বিশেষ কোটা চালু করার বিষয়ে বিভিন্ন সভায় আলোচনা করব। সিকৃবিতে চারজন ভর্তি করতে না পারলেও দুজনকে ভর্তির বিষয়ে উদ্যোগ নেব। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

 

"