ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে চির প্রেরণার একুশ

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল দিন। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটি ভুলে যাওয়ার নয়। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার প্রেরণা। বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়।

একুশে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ। সেখানে তিনি শহীদদের স্মরণে কিছু সময় নীরবতা পালন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এস এম এহসান কবীর, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. রেজাউল করিম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহমদ, উপ-রেজিস্ট্রার ড. এম আবু হানিফা, সহকারী রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মোমতাজী, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জিয়াউর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্ত্যব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বীজ বপন হয়। তিনি বলেন, একুশের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এ সময় তিনি পুরান ঢাকার চকবাজারে মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।

অমর একুশে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘ভালোবাসি মাতৃভাষা’র ওপর প্রবন্ধ পাঠ ছাড়াও স্বরচিত কবিতা পাঠ, দেশাত্মবোধক কবিতা আবৃত্তি, ভাষার গান পরিবেশন করা হয়। প্রবন্ধ রচনা, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি, অনুষ্ঠান উপস্থাপনা বিষয়ে প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেসকো) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তাদের ৩০তম সম্মেলনে ২৮টি দেশের সমর্থনে একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে একযোগে এ দিবস পালিত হচ্ছে। এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাঙালি জাতির জন্য এক অনন্য সাধারণ অর্জন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

 

"