লন্ডনে ড্যাফোডিল অ্যালামনাই ইউকে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারি রোববার লন্ডনের পাম ট্রি ব্যাঙ্কুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ড্যাফোডিল অ্যালামনাই ইউকে পুনর্মিলনী। এতে ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডসের মেম্বার ব্যারোনেস মঞ্জিলা পলা উদ্দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অক্সফোর্ড কালচারাল কানেক্টিভের চেয়ারম্যান ড. ডোনাল্ড সেøায়ান, ব্রিটেনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর এস এম জাকারিয়া হক এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ড. আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ড্যাফোডিল পরিবারের ১৫০ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডসের মেম্বার ব্যারোনেস মঞ্জিলা পলা উদ্দিন যুক্তরাজ্যে ড্যাফোডিল পরিবারের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই আয়োজনের ভূয়সী

প্রশংসা করেন এবং বিশ্বব্যাপী ড্যাফোডিলের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে এর কার্যকর বহিঃপ্রকাশ ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান দেশভিত্তিক নন-রেসিডেন্ট ড্যাফোডিল অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গঠন ও সেগুলোর সমন্বয়ে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক স্থাপন করে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ড্যাফোডিল পরিবারের প্রায় ৬০ হাজার প্রাক্তন

শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা পর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন। ড্যাফোডিল থেকে পাস করা ৫০০ শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থী দেশের বাইরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিতে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে বিচার বিভাগ, উপাচার্য, মন্ত্রী, প্রতিরক্ষা বিভাগসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। ড্যাফোডিল থেকে পাস করা অ্যালামনাইরা ‘নন-রেসিডেন্ট ড্যাফোডিল অ্যালামনাই’-এর ব্যানারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে।

পুরোনো দিনের বন্ধুবান্ধব, শিক্ষক, মেনটর, অভিভাবক, সহকর্মী ও প্রিয়জনদের সম্মিলনে অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রত্যেকে অতীতের স্মৃতি রোমন্থনের মাধ্যমে শৈশবে ফিরে যায়। অনুষ্ঠানে সবচেয়ে চোখে পড়ার মজার দৃশ্য ছিল বাংলাদেশকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার ঐক্যবদ্ধ ও ইস্পাত কঠিন শপথ গ্রহণ পর্ব। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড্যাফোডিল পরিবারের অ্যালবাম থেকে নেওয়া ছবির প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠানটিকে আরো বেশি প্রাণবন্ত করে তোলে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

 

"