ইবিতে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের বছরপূর্তি

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রবীন্দ্র নজরুল ভবনের দ্বিতীয়তলায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শ্রেণিকক্ষে বিভাগের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ৩ অক্টোবর বুধবার কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে ও প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের ভূমিকা অপরিসীম।

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধীরে ধীরে ঔপনিবেশিকতার অবসান হওয়ার পর থেকে বর্তমানে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বাজার ঔপনিবেশিকতার জন্ম দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্বগুলো।

তিনি বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর জন্য ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের মধ্যে পার্থক্য আছে।

পশ্চিমা দেশগুলো শিল্প-বিপ্লব ঘটিয়ে পরিবেশ দূষন করে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছায় কিন্তু আমাদের রয়েছে প্রচুর জনশক্তি। এই জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারলেই পরিবেশ দূষণ না করে আমার মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স ইনকাম করতে পারি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান ও ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. রেজওয়ানুল ইসলাম।

এরপর একইভাবে সোস্যাল ওয়েলফার বিভাগের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে কেক কাটেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও সোস্যাল ওয়েলফার বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. শাহিনুুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান এবং ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. রেজওয়ানুল ইসলাম এবং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

পরে অনুষ্ঠান শেষে ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন ভাইস চ্যান্সেলর ও ডেভেলপমেন্ট বিভাগের খ-কালীন শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। সঙ্গে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. রেজওয়ানুল ইসলাম এবং বিভাগের নতুন শিক্ষক মো. ফিরোজ হোসেন, মো. হাফিজুর রহমান ও আতিফা কাফি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত বছরে বর্তমান প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম একসঙ্গে আটটি নতুন বিভাগ খোলা হয়। নতুন খোলা আটটি বিভাগ হচ্ছে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি, ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সোস্যাল ওয়েলফার, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যনেজমেন্টে। এই বিভাগগুলোয় গত সেশনে আরো অতিরিক্ত ৫৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"