সুকোমল বড়ুয়া বৃত্তি পেলেন ঢাবির ১০ শিক্ষার্থী

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ’ বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ‘বৌদ্ধতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়া বৃত্তি’ ২০১৬ ও ২০১৭ দেওয়া হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রমেশ চন্দ্র মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক ও সনদপত্র তুলে দেন। বৃত্তি ২০১৬ পেয়েছেন লিপি আকতার, স্বপ্না রানী ম-ল, কে এম আফতাবুল ইসলাম তন্ময়, অর্পণা রায়, মোছা. স্নিগ্ধা ও প্রকট চাকমা। ২০১৭ সালের বৃত্তি পেয়েছেন মোছা. আশামনি আক্তার, মোজাহিদ হোসাইন, তরুণ বিশ্বাস ও সুরাইয়া শারমিন। ‘বৌদ্ধতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়া স্বর্ণপদক ২০১৫ ও ২০১৬’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন শারমিন নাহার ও প্রকট চাকমা, তাদের সনদপত্র দেওয়া হয়। আগামী ৫১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাদের স্বর্ণপদক দেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ধর্মমিত্র মহাস্থবির।

এ ছাড়া করুণানন্দ ভিক্ষু উপস্থিত ছিলেন। পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বিমান চন্দ্র বড়–য়া স্বাগত বক্তব্য দেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়ার মেয়ে ফান্ডের দাতা সংঘমিত্রা বড়–য়া মানসী। অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়ার জীবন নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়ার সংগ্রামী জীবনে ব্যতিক্রমী কিছু মূল্যবোধ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য যে ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে, তা তার অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের প্রকাশ।

অন্যান্য ধর্মের মতো বৌদ্ধ ধর্মেও শিক্ষা ও দর্শনে মানবসমাজের জন্য একটি সর্বজনীনতা রয়েছে। সবার মধ্যে এই চেতনার বিকাশ ঘটবে এটিই আজকের দিনের প্রত্যাশা। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে পিতামাতার অবদানের জন্য তাদেরও অভিনন্দন জানান উপাচার্য। মেধাবী তরুণ প্রজন্ম সুন্দর দর্শন, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে বলে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"