আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ হচ্ছে আমেরিকা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও প্রতি বছর বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে আমেরিকায় পাড়ি জমান।

আমেরিকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি, ব্যাচেলর ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি, পিএইচডি বা ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়। সেমিস্টার : স্প্রিং সেমিস্টার : জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত, সামার সেমিস্টার : মে থেকে জুলাই পর্যন্ত, ফল সেমিস্টার : আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তির জন্য নিম্নলিখিত আবেদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবেÑ

আপনার কাক্সিক্ষত বিভাগে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা প্রথমে যাচাই করুন। আবেদন ফরম ও অন্যান্য তথ্যের জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিস বরাবর লিখুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও আপনি আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে পারেন। অ্যাডমিশন অফিস আপনাকে ভর্তি-সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য জানাবে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির পদ্ধতি চালু আছে। আপনি অন্তত ১ বছর সময় হাতে রেখে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়াটি শুরু করুন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাধারণত ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় এসব বিষয়সমূহ অধ্যয়ন করতে পারেন। শিল্প ও শিল্প ইতিহাস, জীববিদ্যা, রসায়ন, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ভূ-ম-ল ও পরিবেশ বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ফিল্ম ও মিডিয়া স্টাডিজ, ইতিহাস, ভাষাবিদ্যা, গণিত, ফলিত গণিত, পরিসংখ্যান, আধুনিক ভাষা ও সংস্কৃতি, সংগীত, দর্শন, পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, রাসায়নিক প্রকৌশল, প্রাণ রসায়ন, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল, বংশগতিবিদ্যা, এমবিএ, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান, আইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক বিষয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণকৃত আবেদনপত্র, আবেদন ফি পরিশোধের প্রমাণপত্র, পূর্বতন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ইংরেজি সংস্করণ। শুধু অনুমোদিত যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিলিখন সম্পন্ন হতে হবে। স্কুল/কলেজের ছাড়পত্র, টোফেল পরীক্ষার ফলাফলের সনদ, প্রয়োজন সাপেক্ষে জিআরই, স্যাট বা জি-ম্যাটের ফলাফলের সনদ। পাসপোর্টের ফটোকপি।

টিউশন ফি : পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় এই টিউশন ফি ১১০০০ থেকে ২০০০০ মার্কিন ডলার। প্রাইভেট কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই খরচ প্রায় ৩০০০০ মার্কিন ডলার। স্নাতক পর্যায়ে গবেষণার জন্য কোনো আর্থিক সহায়তা সাধারণত দেওয়া হয় না। মাস্টার্স ও ডক্টরেট পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাসস্থান ও অন্যান্য খরচ বাবদ বার্ষিক প্রায় ৪০০০ থেকে ১০০০০ মার্কিন ডলার প্রয়োজন হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা-সংক্রান্ত ব্যয় বার্ষিক ৫০০ থেকে ১০০০ মার্কিন ডলার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নকালীন চাকরি করার কোনো সুযোগ নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ক্যাম্পাসভিত্তিক চাকরিতে নিযুক্ত হওয়া সম্ভব। তবে তার আয় দ্বারা আপনার শিক্ষাব্যয় বা জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো সম্ভব নয়। সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন ছাত্রছাত্রী নিম্নলিখিত কাজগুলো করে প্রতি ঘণ্টায় ৬ থেকে ২৫ ডলার উপার্জন করতে পারে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"