দরিদ্র মানুষকে আলোর পথ দেখালেন ড. এম এ মতিন

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

স্বল্প ব্যয়ে গভীর নলকূপ এবং উৎপাদিত পানির বহুমুখী ব্যবহার এবং পানি বিশুদ্ধকরণ প্রযুক্তির সফল আবিষ্কারক বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. এম এ মতিনের পরবর্তী গবাদিপশু নিয়ে গবেষণা সফলতার সুফল ভোগ করছে বিশ্বের অর্ধশত দেশের শতাধিক কোটি মানুষ। অন্ধকারে আচ্ছন্ন দারিদ্র্র্যকবলিত এবং সুস্থ জীবন প্রত্যাশীদের আলোর পথ দেখালেন তৃতীয় বিশ্বে মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশের সফল গবেষক ড. এম এ মতিন। আশির দশক থেকে শুরু করা দীর্ঘ গবেষণায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সুফল ভোগ করছে বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নওগাঁর কৃতীসন্তান ড. এম এ মতিন কর্মজীবনের সফলতার পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা আর একটু বেশি। তারা চান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

ড. এম এ মতিনের গবেষণায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে দুটি টেকনোলজি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও প্যাটেন্ট করেছেন। তার সৃজনশীলতার জন্য অর্জিত সুনাম-সুখ্যাতি ৫৬ হাজার বর্গমাইল বাংলাদেশের সীমানায় আবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রায় অর্ধশত দেশে। তার কর্মজীবনের এই বিশাল সফলতার জন্য ১৭ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে সরকার আরডিএ, বগুড়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার ও বঙ্গবন্ধু কৃষি স্বর্ণপদক দুইবার প্রদান করেছেন।

ড. এম এ মতিনের গবেষণা উদ্ভাবিত গবাদিপশুর বহুমাত্রিক ব্যবহার। পশুর বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাস, বিদ্যুৎ, জৈব সার। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদন কৃষিপণ্য। রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলি জমির উর্বরতা হ্রাস, ফসলের নিম্নমুখী উৎপাদন রোধে আবিষ্কার করেন জৈব সার। আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে উৎপাদিত জৈব সার সফলভাবে ব্যবহার করছেন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা। আশানুরূপ উৎপাদন পাচ্ছেন অক্ষতিকর এই জৈব সার ব্যবহার করে। আমরা লক্ষ করছি, কৃষি ক্ষেত্রে মানুষ খুব বেশি শ্রম দিচ্ছে, তাই মানুষের শ্রম কমিয়ে আনতে স্বল্প ব্যয়ে কৃষি যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করে কৃষকের মাঝে সরবরাহ করছি। এ ছাড়াও কৃষকদের মাঝে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে আরডিএ কর্তৃপক্ষ। যাদের কোনো আয়-রোজগার ছিল না, সহায়-সম্বল ছিল না, ছন্নছাড়া এই লোকদের আমরা সংগঠিত করছি। বিভিন্ন কর্মসূচিতে স¤পৃক্ত করে তাদের প্রত্যেককে স্বাবলম্বী করেছি। বিশেষ করে চরাঞ্চলে প্রত্যেকের সর্বনি¤œ আয় বছরে এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা গবাদিপশুর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে। ওইসব পরিবারের ধারে কাছে যেহেতু কোনো ব্যাংক নেই। সেহেতু তাদের গবাদিপশুর দুধ বিক্রির টাকা জমা রাখার জন্য টিনের বাক্স বানিয়ে দিয়েছি ব্যাংক হিসাবে। এস এম ফজলুল হক

"