অভিবাসী তাড়াতে নয়া প্রস্তাব ট্রাম্পের

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০১৭, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অভিবাসী প্রবেশ রুখতে নতুন পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের। শিগগিরই নতুন আইন করতে যাচ্ছেন তারা। তাতে জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) ক্ষমতা প্রসারিত করার প্রস্তাব আনা হয়েছে। যাতে বেআইনিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অভিবাসীদের তাড়ানো যায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র জোন ট্যালবট।

সেই ২০০৪ সাল থেকে বেআইনি অভিবাসী নির্বাসনের দায়িত্ব পালন করে আসছে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগ। দুই সপ্তাহের কম সময় ধরে বেআইনিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, সীমান্তের ১৬০ কিলোমিটারের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি ধরা পড়লে তাকে নির্বাসনে পাঠানোই এত দিন নিয়ম ছিল।

কিন্তু এবার তাতে বদল আনতে চলেছে ট্রাম্প সরকার। জাতীয় নিরাপত্তা সচিব জন কেলির কাছে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন মুলুকে ৯০ দিন কাটানোর আগে যদি কেউ ধরা পড়েন, সে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই হোক না কেন, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তাড়াতে হবে।’ এখনো পর্যন্ত তাতে অনুমোদন দেননি জন কেলি।

এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন দেশের অভিবাসী আইন সেন্টারের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেরিলেনা হিনকেপি। তার মতে, ‘দেশের সর্বত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাসননীতি বলবৎ করতেই এমন প্রস্তাব আনা হয়েছে। যা মার্কিন সরকারের এতকালের নিয়মনীতির পরিপন্থি।’

এ বছর জানুয়ারি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই অভিবাসী ও শরণার্থী প্রবেশ রুখতে নানা পদক্ষেপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মুসলিম দেশের মানুষদের মার্কিন মুলুকে প্রবেশে নিষিদ্ধ করেছেন। এ নিয়ে দুনিয়াজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তার মধ্যেই এই নতুন নিয়ম চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে তার সরকার। তাদের যুক্তি, নতুন আইন চালু হলে দেশ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পথ আরো প্রশস্ত হবে। বেআইনিভাবে দেশে প্রবেশের সাহস দেখাবে না কেউ। আবার স্বস্তি পাবে দেশের অভিবাসী আদালতগুলোও। গত দুই বছরে কয়েক হাজার নির্বাসন মামলা ঝুলে রয়েছে সেখানে। ২০১৭ সালের শুরুতেই ৫৩৪ হাজার মামলার শুনানি আটকে ছিল।

"