পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা, উপসাগরে বাড়তি সেনা

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবার ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন। আর এর কয়েক ঘণ্টা পরই জানানো হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক শক্তি জোরদারে আরো সৈন্য পাঠাচ্ছে তারা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় এ নিষেধাজ্ঞা এ যাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। তবে এখনই সামরিক হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই।

১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই হামলার পর সৌদি আরবের তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থি হুথি বিদ্রোহীরা এ হামলার দায় স্বীকার করলেও এ ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে হামলার নেপথ্যে ইরান জড়িত রয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে তেহরান। এ নিয়ে তেহরানের সঙ্গে বাকযুদ্ধে লিপ্ত হয় ওয়াশিংটন। এরই মধ্যে গত শুক্রবার ইরান দখলকে খুবই সহজ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করলেন ট্রাম্প। এদিন ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপের প্রয়োগের অংশ হিসেবে দেশটির ন্যাশনাল ব্যাংকের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একই দিন সৌদি-আমিরাতে আরো সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেয় পেন্টাগন।

প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় সপ্তাহান্তে তেহরান হামলা চালিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা এমন কথা জানানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে নতুন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তেল স্থাপনায় হামলার কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে অনেক বেড়ে যায়।

 

"