ব্রিটেনে মুসলমানরা মিডিয়ার নেতিবাচক প্রচারের শিকার

প্রকাশ | ১২ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ব্রিটেনে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারী বৃহত্তম একটি গোষ্ঠী দাবি করেছে, মুসলিম ইস্যু নিয়ে যুক্তরাজ্যের মিডিয়ার কভারেজ বেশির ভাগই নেতিবাচক। ইসলামবিদ্বেষে যাতে করে এসব প্রতিবেদন ভূমিকা না রাখতে পারে সেজন্য পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

২০১৮ সালের শেষ তিন মাসের ১০ সহস্রাধিক প্রতিবেদন ও সম্প্রচারিত খবর পর্যালোচনা করেছে মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন (এমসিবি)। পর্যালোচনার উপসংহারে তারা দাবি করেছে, যেভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের তুলে ধরা হয়েছে তাতে গুরুতর সমস্যা রয়েছে। এমসিবির নতুন গঠিত সেন্টার ফর মিডিয়া মনিটরিং (সিএফএমএম) তাদের প্রথম পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। একইসঙ্গে তারা তথ্য যাচাই ও সম্পাদনার সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরো দায়িত্বশীল হওয়ার প্রচারণায় নেমেছে।

এমসিবির মিকদাদ ভারসি বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের যেভাবে মিডিয়ায় তুলে ধরা হচ্ছে, ইসলাম বিদ্বেষ তৈরিতে এর ভূমিকা রয়েছে। আমাদের উদ্যোগ সেন্সরশিপের জন্য না, স্বচ্ছতার জন্য।

সিএফএমএমের পরিচালক রিজওয়ানা হামিদ বলেন, ব্রিটিশ মিডিয়ার একাংশের মধ্যে ইসলাম বিদ্বেষের বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এমনকি জনগণের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইসলাম বিদ্বেষের জন্য মিডিয়াকেই দায়ী করেন।

তিনি আরো বলেন, এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার। আমাদের লক্ষ্য হলো নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপে দায়িত্বশীল খবর প্রকাশে ভূমিকা রাখা।

প্রতিবেদন অনুসারে, ৫৯ শতাংশ খবর ছিল নেতিবাচক, ডানপন্থি ও ধর্মীয় প্রকাশনার ৩৭ শতাংশ ছিল পক্ষপাতমূলক ও বেশি নেতিবাচক। এক-তৃতীয়াংশ খবরে ভুলভাবে বা সর্বজনীন করা হয়েছে এবং তা সন্ত্রাসবাদকে প্রতিপাদ্য করে করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, ব্রিটেনের আঞ্চলিক কভারেজ জাতীয় কভারেজের চেয়ে উল্লেখযোগ্য বেশি সহায়ক ছিল। আর ছাপা মাধ্যমের চেয়ে টেলিভিশন ছিল নিরপেক্ষ।

প্রতিবেদনটিতে বিবিসির জনপ্রিয় নাটক দ্য বডিগার্ডে হিজাব পরিহিত নারীকে তুলে ধরার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

 

"