লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

আদভানি-জোশির বাড়িতে মোদি

প্রকাশ : ২৫ মে ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‘গুরুজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ আর তাদের আশীর্বাদ নেওয়াটাই ভারতীয় জনতা পার্টির পরম্পরা।’ বিরাট জয়ের পরের সকালেই নিজের প্রথম গন্তব্য হিসেবে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি এবং মুরলিমনোহর জোশি বাসভবনকেই বেছে নিলেন ভারতের হবু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দুই নেতার সঙ্গে সাতসকালেই বৈঠক করে নিজের কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আর বললেন, ‘গুরুজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ আর তাদের আশীর্বাদ নেওয়াটাই ভারতীয় জনতা পার্টির পরম্পরা।’

যেভাবে এই নির্বাচনের ময়দান থেকে লালকৃষ্ণ আদভানি এবং মুরলিমনোহর জোশিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন দলের এই দুই অন্যতম বর্ষীয়ান নেতাই। গুজরাতের গান্ধীনগর কেন্দ্রের ছয়বারের সংসদ সদস্য লালকৃষ্ণ আদভানির জায়গায় প্রার্থী হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিন্তু যে পথে এগোচ্ছে তার প্রতিষ্ঠা করা ভারতীয় জনতা পার্টি, তা নিয়ে যে খুশি ছিলেন না আদভানি, তা নিজের ব্লগে লিখে জানিয়েছিলেন তিনি নিজেই। অন্য দিকে কানপুরে থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া নিয়েও নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এনেছিলেন মুরলিমনোহর জোশি।

আদভানির বাড়িতে গিয়ে তার আশীর্বাদ নেন নরেন্দ্র মোদি ও আমিত শাহ। পরে নিজেই সেই ছবি টুইট করে তিনি বলেন, আদভানিজির সঙ্গে কথা বলেছি আমি। বিজেপির আজকের সাফল্য সম্ভব হয়েছে তার মতো মহান ব্যক্তিদের অবদানের জন্যই। দশকের পর দশক ধরে পরিশ্রম করে তারা এই দল তৈরি করেছেন।

এরপরই তিনি যান আরেক বর্ষীয়ান নেতা মুরলিমনোহর জোশির বাড়িতে। সেই সাক্ষাতের কথা জানিয়ে টুইট করে তিনি বলেন, ‘ডক্টর মুরলিমনোহর জোশি অত্যন্ত উঁচুমানের জ্ঞানী এবং বিদ্বজন। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে তার অবদান স্মরণীয়। বিজেপিকে শক্তিশালী করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। অনেক সংগঠককেও তিনি নিজে হাতে তৈরি করেছেন, যার মধ্যে পড়ি আমিও।’

 

"