লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

বুথফেরত জরিপকে মিথ্যাচার বলছে বিজেপির সঙ্গীরাও!

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিভিন্ন বুথ ফেরত জরিপে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ের সম্ভাব্য চিত্র ফুটে উঠলেও তামিলনাড়–র বাস্তবতা ভিন্ন। জরিপের তথ্য অনুযায়ী সেখানে কংগ্রেসকে নিয়ে গড়া ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোট বেশির ভাগ আসন পেতে যাচ্ছে। ভরাডুবির আভাস দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে নিয়ে গড়া এআইএডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোটের। তবে এআইএডিএমকে নেতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী জরিপের ফলাফলকে মিথ্যা দাবি করেছেন। সম্প্রচার মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ঐতিহাসিক বিজয়ের আভাসে বিজেপি নেতারা উল্লসিত হলেও তামিলনাড়–তে তাদের মিত্র এআইএডিএমকের বক্তব্যে তাদের হতাশ হওয়ার কারণ রয়েছে।

দেড় মাস ধরে সাত ধাপে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ফল ঘোষণা করা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। নির্বাচন শেষে প্রকাশিত বুথফেরত জরিপগুলো গড় করে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি তিন শতাধিক আসন ও প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস ১২২টির মতো আসন পেতে পারে। বিরোধীরা জরিপের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। শুরু থেকেই তারা বলছে জরিপের দাবি ভুল প্রমাণিত হবে। নিজ রাজ্যে ভরাডুবির আভাস মেলায় এবার বিজেপির জোটসঙ্গী এআইএডিএমকের পক্ষ থেকেও জরিপকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দেওয়া হলো।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, তামিলনাড়–তে ইউপিএ জোটের সম্ভাব্য মুখ রক্ষার আভাস মিলেছে বুথ ফেরত জরিপে। কংগ্রেসকে নিয়ে গড়া রাজ্যের ডিএমকে নেতৃত্বাধীন ফ্রন্ট ৩৯ আসনের মধ্যে ২৭টিতে তারা জয় পেতে পারে বলে আভাস মিলেছে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপির সঙ্গে গড়া ক্ষমতাসীন এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ১১টি আসন। তবে বুথ ফেরত জরিপের এই ফলাফল মানতে রাজি নন মুখ্যমন্ত্রী পালানাস্বামী। জরিপকে মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, ‘এআইএডিএমকে জোট রাজ্যের ৩৯টি আসনেই জয় পাবে।’

২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ললিতার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন এআইএডিএমকে রাজ্যের ৩৭ আসনে জয় পেয়েছিল। তবে তারপর থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যের দলটির পরিস্থিতি খানিকটাই পাল্টে গেছে। ২০১৬ সালে তার মৃত্যুর পর দলে ভাঙন দেখা দেয়। জয়ললিতার দীর্ঘদিনের সহযোগী ভিকে শশীকলা ও তার ভাইপো টিটিভি দিনাকরন এআইএডিএমকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেন। তাদের গড়া দল এএমএমকের নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন থাকায়ওই দলের প্রার্থীরা একই প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা এআইএডিএমকের ভোটে ভাগ বসাতে পারে, যা ডিএমকে-কে লাভবান করবে।

 

"