ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ কিমের

প্রকাশ : ১১ মে ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থার রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর ক্রমেই অধৈর্য হয়ে ওঠে পিয়ংইয়ং। কিম বাজে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন বলে অভিহিত করে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গত মাসে কৌশলগত নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র পরীক্ষার কথা স্বীকার করে পিয়ংইয়ং। ৪ মে দক্ষিণ কোরিয়ার তরফে জানানো হয়, উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েকটি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। তার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা জানায় তারা।

অন্য দিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্যের অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার একটি কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিচার বিভাগের দাবি, ওই জাহাজটিতে করে কয়লা পরিবহন করা হতো, যা উত্তর কোরিয়ার প্রধান রফতানি পণ্য। দেশটির কয়লা রফতানির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা কেসিএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কিম জং উন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতি রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন যেন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে উত্তর কোরিয়া।’ কিম জং বলেন, ‘দেশের প্রকৃত নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে শক্তিশালী বাহিনী থাকা প্রয়োজন যারা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম। গত বছর পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ এবং আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না চালানোর ঘোষণা দেয় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয় একটি পারমাণবিক স্থাপনা।

 

তারপরও বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পারমাণবিক বোমার জ্বালানি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং দাবি করে থাকে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে বহনযোগ্য ছোট আকারের পারমাণবিক বোমা তৈরিতে সক্ষম হয়েছে তারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন এই পরীক্ষাকে সহায়পূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন। সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি তারা আলোচনা করতে চায়। কিন্তু আমার মনে হয় তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয়।

"