দেশের উত্তর পূর্বেও প্রিয়াঙ্কা

প্রকাশ | ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রিয়াঙ্কা নিজের ব্যাপারে বড় মুখচোরা। কিন্তু মোদিকে আক্রমণে কোনো রকম ছাড় দিচ্ছেন না। গতকাল সোমবার শিলচরেও তার মূল নিশানা ছিলেন মোদিই। দলের খাতায় তিনি পূর্ব-উত্তরপ্রদেশের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু ভোটের যুদ্ধ এগোতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াইটাকে আর উত্তরপ্রদেশের পূর্ব ভাগে বেঁধে রাখছেন না প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম অংশে প্রচার চালানোর পরে আজ তিনি রোড-শো করলেন অসমের শিলচরে। এই প্রথম প্রচারে উত্তরপ্রদেশের বাইরে পা রাখলেন সোনিয়া কন্যা। ডাক আসছে পশ্চিমবঙ্গসহ অন্য রাজ্য থেকেও।

শিলচরের মানুষকে তিনি জানালেন, প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় কেন্দ্রে অনেকবার গিয়েছেন তিনি। ঘুরেছেন বারাণসীতে। গিয়েছেন গ্রামে। সাধারণ মানুষ মোদির ওপর ক্ষিপ্ত। দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ালেও মোদি নিজের নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার সময় পান না। বারাণসী নিয়ে প্রিয়াঙ্কার এই আক্রমণ কংগ্রেসের ভেতরে-বাইরে জল্পনাটা উসকে দিল আরো। তবে কী প্রিয়াঙ্কা বারাণসীতেই নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে প্রার্থী হবেন?

গত বৃহস্পতিবার শিলচরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। রামনগরের সভায় ভিড় হয়েছিল। গত রোববার আসেন প্রিয়াঙ্কা। তাকে দেখতেও শহরে নামে মানুষের ঢল। কংগ্রেস জানিয়েছিল, রোড-শো শুরু হবে সকাল ১০টায়। তার অনেক আগেই রাস্তায় ভিড় বাড়তে থাকে। অনেকে ছুটে এসেছেন দূর-দূরান্তের গ্রাম থেকে। চৈত্র সংক্রান্তির খাঁখাঁ রোদে ঘাম ঝরছে। তবু কেউ জায়গা ছাড়তে রাজি নন।

প্রিয়াঙ্কা বের হন বেলা ১টায়। হুডখোলা গাড়িতে শিলচরের দলীয় প্রার্থী সুস্মিতা দেব ও এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক হরিশ রাওয়ত। পেছনে জনতা। কেন তার প্রতি মানুষের এত আকর্ষণ, প্রিয়াঙ্কা ভালো বোঝেন। জানেন, চেহারা-ছবি, চালচলন ও কথাবার্তায় অনেকে তার মধ্যে ইন্দিরা গান্ধীর আদল খুঁজে পান। সুস্মিতার জন্য ভোট চাইতে গিয়ে তিনি টেনে আনেন ইন্দিরার কথাই। বলেন, সুস্মিতা দেব আমার ঠাকুমারই মতো। সেই কাজকর্মের ধরন, সেই মানুষের জন্য দরদ। ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন ‘দিল সে সাচ্চে’।

"