মুলায়মের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ : সিবিআই

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী কেন্দ্র থেকে এবারও লোকসভা ভোটে লড়েছেন মুলায়ম। তিনি শীর্ষ আদালতের সামনে হলফনামা দিয়ে বলেছেন, ভোটের মুখে তাকে ও পরিবারকে হেনস্তা করতেই ফের নতুন করে এই বিষয়টি টেনে আনা হচ্ছে। সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিংহ যাদব ও তার ছেলে অখিলেশের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তির মামলার তদন্ত ২০১৩ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে জানাল সিবিআই। মুলায়ম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওই তদন্ত কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে চেয়ে মামলা করেছেন কংগ্রেস কর্মী বিশ্বনাথ চতুর্বেদী। গত শুক্রবার তদন্তকারী সংস্থার মৌখিক বক্তব্য শোনার পরে, প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইকে তাদের বক্তব্য জানাতে বলেছে। চতুর্বেদীর আবেদনে মুলায়মের আর এক ছেলে প্রতীকের সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী কেন্দ্র থেকে এবারও লোকসভা ভোটে লড়েছেন মুলায়ম। তিনি শীর্ষ আদালতের সামনে হলফনামা দিয়ে বলেছেন, ভোটের মুখে তাকে ও পরিবারকে হেনস্তা করতেই ফের নতুন করে এই বিষয়টি টেনে আনা হচ্ছে।

এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। কারণ, মামলাকারী একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মী, অতীতে সেই দলের হয়ে ভোটে লড়ে হেরেও গিয়েছিলেন। মুলায়মের দাবি, ২০০৫ সাল থেকে মামলা চালালেও তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কিছুই পায়নি সিবিআই।

সুপ্রিম কোর্টে চতুর্বেদী যে আবেদন করেছেন, তাতে শীর্ষ আদালত কিংবা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সামনে ওই তদন্তের সর্বশেষ পরিস্থিতি পেশ করার জন্য আর্জি জানানো হয়েছে। হলফনামায় মুলায়ম পাল্টা বলেছেন, তার এবং অখিলেশের পরিবারের সম্পত্তির উৎস নিয়ে প্রায় দুই বছর ধরে সিবিআই তদন্ত করলেও দুর্নীতির কোনো প্রমাণ মেলেনি, ফলে মামলাও করা হয়নি। সমাজবাদী পার্টির নেতার যুক্তি, তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার কোনো নির্দেশ না থাকায় এবং কোনো মামলাও না থাকায় আবেদনকারীর আর্জির ভিত্তিতে শীর্ষ আদালত যেন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তদন্তের ‘স্ট্যাটাস রিপোর্ট’ জমা দিতে সিবিআইকে নির্দেশ না দেয়। প্রসঙ্গত, এ বছরেরই ২৫ মার্চ শীর্ষ আদালত বলে, ২০০৭ সালে সিবিআই জানিয়ে?ছিল, মুলায়ম সিংহদের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তি রাখা নিয়ে প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে, তার ভিত্তিতে মামলাও করা যেতে পারে। এই মুহূর্তে সেই তদন্ত কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা জানতে চেয়েছিল আদালত।

 

"