পশ্চিমবঙ্গে ৩ শতাধিক বুথে পুনর্র্নির্বাচনের দাবি বিজেপির

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৩ শতাধিক বুথে পুনর্র্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গত বৃহস্পতিবার লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে কারচুপি হয়েছে। সেজন্য পশ্চিমবঙ্গের বেশকিছু স্থানে আবারও পুনর্র্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। বিজেপি দাবি জানালেও আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের কোনো বুথে পুনর্র্নির্বাচন হচ্ছে না। তবে কোচবিহারের একটি বুথে তা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর। গত বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় রাজ্যের দুই আসন কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভোট হয়েছে। শুরু থেকেই সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জাল ভোট, ভোট কারচুপি এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছিল কোচবিহারের শীতলকুচি, সীতাই এবং দিনহাটা বুথের ভোট নিয়ে। নিরাপত্তা রক্ষায় কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকার সুযোগ নিয়ে তৃণমূল অবাধে ভোট কারচুপির সুযোগ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়াসহ মন্ত্রীদের বুথে ঢুকে ভোটারদের শাসানোর মতো অভিযোগও উঠেছে।

গত শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার (সিইও) আরিজ আফতাবের সঙ্গে দেখা করে কোচবিহারের ৬৩টি বুথে পুনর্র্নির্বাচনের দাবি জানান বাম প্রতিনিধিরা। বিজেপির তরফ থেকে কোচবিহারের ২৯৭টি বুথে ফের ভোটের দাবি জানানো হয়েছে। দলীয় দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য বিজেপির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায় জানান, কোচবিহারে ২৯৭টি, আলিপুরদুয়ারে ৪২টি বুথে ফের ভোট চেয়েছেন তারা। বিজেপির অভিযোগ, সব বুথে আধাসেনা না থাকায় তাদের সমর্থকদের বাধা দিয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি পশ্চিমবঙ্গে গত বৃহস্পতিবার ১১০০টি বুথে কোনো আধাসেনা ছিলেন না। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুজন জওয়ান মোতায়েন করার দাবি জানানো হয়েছে।

সিইও অফিস বলছে, শীতলখুচির ১৮১নং বুথে দীর্ঘ সময় ভোট বন্ধ ছিল। সেখানে পুনর্র্নির্বাচন হতে পারে। তবে পুনর্র্নির্বাচনের ভোটের বিষয়ে রিপোর্ট যাবে নির্বাচন কমিশনে। এরপরেই পুনর্র্নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভোটের দিন দিনহাটায় ইভিএম ভাঙচুর হয়েছে। শীতলখুচির ২৭২নং বুথে বহিরাগতরা ঢুকে পড়েন। ওই দুই ঘটনায় দুই প্রিসাইডিং অফিসারকে শোকজ করা হয়েছিল। দুজনেই ক্ষমা চেয়েছেন। দুই প্রিসাইডিং অফিসারের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে কমিশন। কোচবিহারে ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং আলিপুরদুয়ারে ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুটি কেন্দ্রেই তৃতীয় লিঙ্গের একজন করে ভোটার ভোট দিয়েছেন।

 

"