অস্ট্রেলিয়ায় ১৪ কনস্যুলেটে ‘সন্দেহজনক প্যাকেট’

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ama ami

অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ রাজধানী ক্যানবেরা ও মেলবোর্নে অবস্থিত বেশ কয়েকটি দেশের কনস্যুলেট ভবনে ‘সন্দেহজনক প্যাকেট’ পাওয়ার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মেলবোর্নের দমকল বিভাগ বুধবার জানিয়েছে, তারা শহরজুড়ে সন্দেহজনক প্যাকেট নিয়ে ‘অনেকগুলো ঘটনার’ খবর পেয়েছেন। ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্স, গ্রিসসহ বিভিন্ন দেশের অন্তত ১৪টি কনস্যুলেটে এ সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ব্রডকাস্টিং করপোরেশন। যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান কনসুলেটেও এ ধরনের প্যাকেট এসেছে, দূতাবাসগুলোর কর্মীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি, রয়টার্স। প্যাকেটগুলোতে বিষাক্ত কিছু আছে কিনা অস্ট্রেলীয় পুলিশ তার বিস্তারিত জানাতে পারেনি।

বিবৃতিতে তা বলেছেন, জরুরি বিভাগের কর্মীরা ওই প্যাকেটগুলো পরীক্ষা করে দেখছেন। ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। মেলবোর্নের পুলিশ জানিয়েছে, এ প্যাকেটগুলো ‘সম্ভবত সুনির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে এবং এর প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে না’। সোমবার সিডনিতে আর্জেন্টিনার কনস্যুলেটেও এ ধরনের একটি প্যাকেটে সাদা রংয়ের পাউডার পাওয়ার দুইদিনের মাথায় ডজনের ওপর বিদেশি কনস্যুলেটে এ সন্দেহজনক প্যাকেট মিলল। সিডনিতে পাওয়া ওই পাউডার ‘বিষাক্ত ছিল না; বলে পরে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মেলবোর্নে সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে পাঠানো প্যাকেটে ‘এসবেসটস’ শিরোনামের ছোট খামের ভেতর কিছু পাউডার পাওয়া গেছে বলে সেখানকার অনারারি কনসাল ম্যানুয়েলা এর্বের স্বামী পিটার এর্ব জানিয়েছেন।

 

ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত উপাদান ‘এসবেসটস’ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর; কারও কারও ক্ষেত্রে এটি ক্যানসারসহ নানা ধরনের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

পিটার জানান, খামটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা সেটিকে অন্য একটি ব্যাগে ভরে জরুরি বিভাগের কর্মীদের খবর দেন। পরে জরুরি বিভাগের কর্মীরা এসে খামটি নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন জেনেছি, ওই উপাদানগুলো বিপজ্জনক ছিল না। ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা এ ঘটনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে চলছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সব কর্মীই নিরাপদে ও বহাল তবিয়তে আছেন।’

"