যুক্তরাষ্ট্রে গৃহঋণের ফাঁদে

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্কুল বাসচালক মাইকেল পেনি নিউইয়র্ক শহরে এক বহুতল ভবনের ৩০ তলায় ভাড়ায় থাকতেন। কিন্তু ভবনটির অবস্থা ছিল খুবই বেহাল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে ভবনটির ভাঙা জানালাগুলো বোর্ড দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন বহুতল ভবনটির মালিক। এ অবস্থায় পেনি ও তার স্ত্রী গেইল পেনসিলভানিয়ার পর্বতমালার কাছে দুই লাখ ডলারের একটি নতুন বাড়ির বিজ্ঞাপন দেখে আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন। তারা তাদের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে অব্যাহতির পথ খুঁজচ্ছিলেন। তাই মধ্যবয়সী এ দম্পতি সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট ও একটি ক্লাব হাউজের সঙ্গে আধুনিক সুবিধাসহ চার বেড রুমের বাড়িটি এক লাখ ৬৮ হাজার ডলার ঋণ নিয়ে বন্ধক দেন। ৬১ বছর বয়সী পেনি বলেন, এটা আসলে ‘আমেরিকান ড্রিমের’র মতো। যে কারণে এখন আমাদের ধনী বলে মনে হচ্ছে। আজকের এমন বাড়ির দাম অর্ধেকেরও কম। যা গুঁড়া নীল রঙের বিভাজক স্তরের সঙ্গে তুলনা করা চলে। যদিও ১২ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন খাতের অবস্থা জমজমাট ছিল। রয়টার্সকে এক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, নিউইয়র্কের ৮০ মাইল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিউইয়র্ক শহরের কাছে মনোরি কাউন্ট্রি ও পেনসিলভানিয়ার আশপাশের এলাকাকে আবাসন খাতের বাজারের অবস্থা খুবই বিপজ্জনক বলে ধরা হয়। এ ছাড়া মনোরি কাউন্ট্রি এক-চতুর্থাংশের বেশি বাড়ির মালিক রয়েছে ‘পানির নিচে’। এর মানে তারা ধনীর চেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় আছে। যুক্তরাষ্ট্রে গৃহঋণের ফাঁদে স্কুল বাসচালক মাইকেল পেনি নিউইয়র্ক শহরে এক বহুতল ভবনের ৩০ তলায় ভাড়ায় থাকতেন। কিন্তু ভবনটির অবস্থা ছিল খুবই বেহাল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে ভবনটির ভাঙা জানালাগুলো বোর্ড দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন বহুতল ভবনটির মালিক। এ অবস্থায় পেনি ও তার স্ত্রী গেইল পেনসিলভানিয়ার পর্বতমালার কাছে দুই লাখ ডলারের একটি নতুন বাড়ির বিজ্ঞাপন দেখে আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন। তারা তাদের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে অব্যাহতির পথ খুঁজচ্ছিলেন। তাই মধ্যবয়সী এ দম্পতি সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট ও একটি ক্লাব হাউজের সঙ্গে আধুনিক সুবিধাসহ চার বেড রুমের বাড়িটি এক লাখ ৬৮ হাজার ডলার ঋণ নিয়ে বন্ধক দেন। ৬১ বছর বয়সী পেনি বলেন, এটা আসলে ‘আমেরিকান ড্রিমের’র মতো। যে কারণে এখন আমাদের ধনী বলে মনে হচ্ছে। আজকের এমন বাড়ির দাম অর্ধেকেরও কম।

যা গুঁড়া নীল রঙের বিভাজক স্তরের সঙ্গে তুলনা করা চলে। যদিও ১২ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন খাতের অবস্থা জমজমাট ছিল।

রয়টার্সকে এক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, নিউইয়র্কের ৮০ মাইল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিউইয়র্ক শহরের কাছে মনোরি কাউন্ট্রি ও পেনসিলভানিয়ার আশপাশের এলাকাকে আবাসন খাতের বাজারের অবস্থা খুবই বিপজ্জনক বলে ধরা হয়। এ ছাড়া মনোরি কাউন্ট্রি এক-চতুর্থাংশের বেশি বাড়ির মালিক রয়েছে ‘পানির নিচে’। এর মানে তারা ধনীর চেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় আছে।

"