ইরাকে সন্ত্রাসীদের ওপর হামলা

ইরানের গোয়েন্দা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার প্রমাণ : বাকেরি

প্রকাশ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ বাকেরি বলেছেন, শত্রুর যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে। গতকাল তেহরানে ‘আমিন সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়’-এ শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে ইরাকের কুর্দিস্তানে সন্ত্রাসীদের একটি ঘাঁটিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি এ কথা বলেন। মোহাম্মাদ বাকেরি আরো বলেছেন, ইরাকের কুর্দিস্তানে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলার মধ্য দিয়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ ঘোষণা মেনে শত্রুর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে এবং মানুষ নিজের ঘরের মধ্যেও অনিরাপদ হয়ে পড়বেÑ এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। ইসলামি ইরানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকলে তা মোকাবিলা করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

এদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি নিশ্চিত করেছে যে, ইরাকের কুর্দিস্তানে জড়ো হওয়া সন্ত্রাসীদের একটি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, ওই ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী কমান্ডাররা জড়ো হয়েছিল এবং স্বল্প পাল্লার সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখানে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ফোর্সের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট ড্রোনের সাহায্যে শনিবার সন্ত্রাসী নেতাদের সদরদপ্তর ও একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে সাতটি স্বল্প পাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে- বিশ্বের দাম্ভিক শক্তিগুলোর সমর্থনে কুর্দিস্তান অঞ্চলের কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান সীমান্তে অপরাধমূলক তৎপরতা চালানোর পর আগ্রাসীদের শাস্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিবৃতি অনুসারে- ইরানের আজারবাইজান ও কেরমানশাহ প্রদেশে তৎপর সন্ত্রাসীদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। সন্ত্রাসীরা এ দুটি প্রদেশে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল।

হামলার আগে ইরাক সরকার কুর্দিস্তানের সন্ত্রাসীদেরকে সতর্ক করেছিল কিন্তু বাগদাদের সতর্ক বার্তায় তারা কান দেয় নি।

"