বোরকা নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে বরিস জনসন

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুসলিম নারীদের বোরকা পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। তাকে ঘিরে তোপ বাড়তে থাকার মধ্যেই এবার তিনি দলীয় তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। বোরকা নিয়ে মন্তব্য করে জনসন কনজারভেটিভ পার্টির আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না, সেটিই খতিয়ে দেখা হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন দলীয় এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, অনেকগুলো অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বতন্ত্র একটি প্যানেল এ অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবে।

তবে দলের মুখপাত্র তদন্তের বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাননি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আচরণবিধির প্রক্রিয়াটি খুবই গোপনীয়। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে জনসন দল থেকে বহিষ্কারের মুখেও পড়তে পারেন। জনসন এ সপ্তাহে ব্রিটেনের ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকায় তার সাপ্তাহিক কলামে বোরকা নিয়ে মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি ডেনমার্কে সম্প্রতি বোরকা নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপের সমালোচনা করতে গিয়ে কিছু বিতর্কিত কথা বলেছেন। জনসন বলেন, বোরকা পরা মুসলিম নারীদের ‘চিঠি ফেলার বাক্সের’ মতো লাগে।

তাছাড়া, মুখমন্ডল এবং পুরো শরীর ঢাকা ওই নারীদের কেবল চোখ দুটো খোলা থাকায় তাদেরকে দেখতে ‘ব্যাংক ডাকাতের’ মতো লাগে বলে মন্তব্য করে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন বরিস জনসন। রাজনীতিবিদরাসহ ব্রিটিশ মুসলিম দলগুলো জনসনের সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে। তার মন্তব্যের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে ও নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে জনসনকে ক্ষমা চাইতে বলা হলে তাও মানেননি তিনি।

 

বরিস জনসনের মন্তব্য মুসলিম গোষ্ঠীগুলোসহ কনজারভেটিভ পার্টির কয়েকজন এমপি এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ সঞ্চার করেছে।

কনজারভেটিভ পার্টির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, দলীয় তদন্তে জনসন আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন প্রমাণিত হলে চূড়ান্ত ব্যবস্থা হিসাবে দলে তার সদস্যপদ স্থগিত করাসহ তাকে দল থেকে বের করেও দেওয়া হতে পারে।

 

"