রেগে আগুন ট্রাম্প

তদন্তের মুখে এফবিআই

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাশিয়া কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রবল চাপের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওবামা প্রশাসন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার নির্বাচনী টিমের ওপর নজরদারি চালিয়েছিল বলে অভিযোগ তার। এফবিআই’র বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার মদদ নিয়েছিলেন কিনা এবং নিয়ে থাকলে এখনো পর্যন্ত সত্য গোপন করে আসছেন কিনা, তা নিয়ে তদন্তের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। ট্রাম্প বরাবর প্রকাশ্যে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে চলেছেন। উল্টো সিআইএ’র প্রাক্তন প্রধান রবার্ট মালারের এই তদন্তকে আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘উইচ হান্ট’ বলে আসছেন। এবার তিনি গর্জে উঠলেন মার্কিন অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের বিরুদ্ধে।

এফবিআই নির্বাচনী প্রচারের সময়ে তার টিমে চর পাঠিয়েছিল অথবা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্দেশে ‘রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি’ করতে গুপ্তচরবৃত্তি করেছিল, এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিনি বিচার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার এক টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, এই অভিযোগ ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির থেকেও বড় ঘটনা হিসেবে গণ্য হতে পারে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমে একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তাতে দাবি করা হয়েছিল, ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় এফবিআই ব্রিটেনে কর্মরত এক মার্কিন অধ্যাপককে আলাদা করে ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের সাক্ষাৎকার নিতে পাঠিয়েছিল। ট্রাম্প টিমের কার্টার পেজ ও জর্জ পাপাডোপুলোস রাশিয়ার সঙ্গে অবৈধ যোগাযোগ রেখে চলেছেন কিনা, সেই অধ্যাপক নাকি এ বিষয়ে খবর জানার চেষ্টা করেছিলেন।

মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্পের সমর্থকরা গুপ্তচরের পরিচয় জানতে চাইলেও এফবিআই জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এমন কোনো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল রিপাবলিকানদের এমন প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করেছে। মার্কিন গুপ্তচরদের পরিচয় জানার চেষ্টাকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বেআইনি হিসেবে গণ্য করছে তারা। ট্রাম্প নিজে তদন্তের চাপের মুখে এমন আচরণ করছেন বলে অভিযোগ করছেন ডেমোক্র্যাট দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য। তাদেরই একজন জোয়াকিন কাস্ত্রো। তিনি এক টুইট বার্তায় তদন্তে বাধা সৃষ্টি না করার ডাক দেন।

"