২০২০ সালে অপরাহ উইনফ্রেকে গো-হারা হারাব : ট্রাম্প

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

একতরফা কথার লড়াইয়ে নিজেকে জেতানো আর সারাক্ষণ হামবড়া ভাব নিয়ে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার বিশ্বনন্দিত টিভি সেলিব্রেটি অপরাহ উইনফ্রের সম্বন্ধে মন্তব্য করে মনোযোগ কাড়লেন। বললেন, অপরাহ ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী হলে তাকে তিনি গো হারা হারাবেন। পেনসিলভ্যানিয়ায় গত শনিবার কংগ্রেসম্যান রিক সাক্কোনের জন্য আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমন কথা বলেন ট্রাম্প। ট্রাম্প স্বীকার করেন, ২০২০ সালে যে প্রার্থীকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সবচেয়ে বেশি কামনা করছেন, তিনি হচ্ছেন অপরাহ উইনফ্রে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে এলে তা হবে ‘অপরাহর জন্য সবচেয়ে বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা -এমন বড়াই করে ট্রাম্প আরো বলেন, অপরাহকে একেবারেই নাস্তানাবুদ করে ছাড়বেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ওহ, আমি চাই অপরাহ জিতুক। তবে কিনা অপরাহকে হারাতে আমার খুবই ভালো লাগবে! আমি তার দুর্বলতা জানি। ট্রাম্প জানান, ২০২০ সালে তার নির্বাচনী সেøাগানটি হবে, ‘আমেরিকাকে মহান রাখো (কিপ আমেরিকা গ্রেট)। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকালে ট্রাম্পের স্লোগান ছিল, ‘আমেরিকাকে ফের মহান বানাও (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন)’।

 

 

পরে উত্তর কোরিয়ার কিম জং আন তার নববর্ষের বার্তায় আকস্মিকভাবে এই আলোচনার প্রস্তাব করেন। এরপর উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকসে তাদের একটি প্রতিনিধি দল পাঠায় অংশগ্রহণের জন্যে।

অলিম্পিকের পর দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধি দল পিয়ং ইয়ং-এ গিয়ে মি. কিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তারপর ওই দলটি ওয়াশিংটনে যান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তাদের বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করার জন্যে। হোয়াইট হাউসে বৈঠক শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে মি. কিম প্রস্তুত রয়েছেন এবং পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার ব্যাপারেও তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর আগেও যখন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা হয়েছে তখন দেশটি তাদের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ রেখেছিল এবং আলোচনায় তারা যা চেয়েছিল সেসব না পেয়ে হতাশ হওয়ার পরেই তারা আবার পরীক্ষা চালাতে শুরু করে। অনেকে এই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন হয়তো এর মধ্য দিয়ে ‘উত্তর কোরিয়ার পাতা ফাঁদে’ পা দিতে যাচ্ছে।

"