পুলিশি বাধার অবসান

পণ্য ডেলিভারির অনুমতি পেল ই-কমার্স কোম্পানিগুলো

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিভিন্ন ধরনের সরকারি নির্দেশনার কারণে রাজধানীতে ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর ডেলিভারিম্যানরা চলাফেরার ক্ষেত্রে পুলিশের দিক থেকে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এবার জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ চালু রাখতে ই-ক্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল ও কাভার্ড ভ্যান চলাচলে লিখিত অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির সদর দফতর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুমতির কথা জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। গত শনিবার থেকে ডেলিভারিম্যানরা কোনো ধরনের পুলিশের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন না।

ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-ক্যাব জানায়, আগে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকেও যেসব প্রতিষ্ঠান জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সেবা ও ওষুধ ডেলিভারি করছে, তাদের চলাচলের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়। ডেলিভারি সেবাদানকারী কর্মীরা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে লিখিত অনুমতি চায় ই-ক্যাব।

বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাবের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, আমরা শুরু থেকে এ ব্যাপারে তৎপর রয়েছি। নিজ নিজ বাসায় থাকা জনসাধারণ যেন ঘর থেকে বের হতে না হয়, তাদের জন্য জরুরি সেবা চালু রাখতে ই-ক্যাব সদস্য কোম্পানিগুলো অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আমরা ডিএমপি কমিশনারকে ধন্যবাদ দিতে চাই যে, তিনি আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। এ ছাড়া বিভাগীয় কমিশনারের অনুমতির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা একটা অনুমতিপত্র পেয়েছি, যাতে সারা দেশে জরুরি সেবা চলমান রাখা যায়।

ই-ক্যাব জানায়, সব সদস্যকে ই-মেইলের মাধ্যমে ডিএমপির অনুমতির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। যেহেতু ডিএমপির অনুমতিপত্রে ই-ক্যাবের সদস্যদের কথা উল্লেখ রয়েছে, সেজন্য ই-ক্যাব অফিস থেকে সদস্যদের একটি প্রত্যয়নপত্র ও স্টিকার দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, এই দুর্যোগে জনগণের পাশে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ ডেলিভারি কাজে ই-ক্যাবের শতাধিক সদস্য কোম্পানি ও তাদের প্রায় দুই হাজার কর্মী প্রতিদিন ৪০ হাজারের মতো পরিবারের কাছে, তাদের ক্রয় করা জরুরি পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। প্রচুর চাহিদা থাকলেও ডেলিভারিকর্মীর অভাবে তারা এই সেবার পরিসর বাড়াতে পারছেন না। ডিএমপির অনুমতির মাধ্যমে অন্তত একটি বাধা অপসারিত হয়েছে। এবার হয়তো এই সেবার পরিধি বৃদ্ধি করা যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

"