মাজেদের ফাঁসিতে আরেক দফা ভারমুক্ত হলো জাতি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় জাতি আবার ভারমুক্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল রোববার দুপুরে এক ত্রাণ বিতরণ আনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাকি পলাতক পাঁচজনকে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দন্ডিত পলাতক ছয় আসামির মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ক্যাপ্টেন (বরখাস্তকৃত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি শনিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেরানীগঞ্জ কারাগারে কার্যকর করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর একজন খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। জাতি আবার ভারমুক্ত হলো। তার ফাঁসি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে দেশবাসীর জন্য মুজিববর্ষের উপহার।

বাকি আরো পাঁচজন খুনি বিদেশে পলাতক রয়েছে। তাদের দুজন কোথায় আছে সে সম্পর্কে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে। তবে সবাইকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। দেশে এনে তাদেরও ফাঁসি কার্যকর করা হবে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে এখনো পলাতক রয়েছেন খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান। এই পাঁচ আসামির মধ্যে রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে এবং নূর চৌধুরীর কানাডায় আছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সরকারের সাড়া মেলেনি। আরেক আসামি মোসলেম উদ্দিন পাকিস্তানে আছেন বলে তথ্য ছিল ইন্টারপোলের বাংলাদেশ শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) কাছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলেও পাকিস্তান কোনো জবাব দেয়নি। আর রশিদ ও ডালিম এখন কোথায় আছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো জানতে পারেনি সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের মানুষকে ঘরে অবস্থান করার জন্য এবং অতীব প্রয়োজন ব্যতীত ঘর হতে বের না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান। ধানমন্ডির বাসায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশ কর্তৃক দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ২ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তরের করেন। প্রতি প্যাকেটে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, তিন কেজি আলু, এক লিটার তেল, এক কেজি লবণ ও একটি সাবান রয়েছে। এসব ত্রাণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় দরিদ্রদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু।

 

"