সাম্যের ভিত্তিতে টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে

স্পিকার

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বৈশ্বিক সমস্যা এখন সবার। এটা কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাস, উদ্বাস্তু প্রভৃতি সমস্যার আশু সমাধানে বিশ্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবার একতাবদ্ধ প্রচেষ্টায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাম্যের ভিত্তিতে টেকসই ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গতকাল মঙ্গলবার কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে আয়োজিত এশিয়া প্যাসিফিক সামিট-২০১৯ এর ‘এডড্রেসিং দ্য ক্রিটিক্যাল চ্যালেঞ্জেস অব আওয়ার টাইম : পিস, রিকনসিলিয়েশন, ইন্টারডিপেনডেন্স, মিউচুয়াল প্রসপারিটি অ্যান্ড ইউনিভার্সাল ভ্যালুজ’ শীর্ষক উদ্বোধনী সেশনে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কিংডম অব কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী সামদেক আকিক মহাসেনা পাদে টেকো হুন সেন। অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ হেনরি ভেন থিও, ইউনিভার্সাল পিস ফেডারেশনের কো-ফাউন্ডার হাক জা হান মুন ও ইন্দোনেশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জাসুফ কালা বক্তব্য রাখেন। স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাস করতেন শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। বঙ্গবন্ধুর গৃহীত ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’Ñ এই নীতিকে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। যুদ্ধবিরতিই শান্তির মাপকাঠি নয়। বরং বাধা বিপত্তি অতিক্রম করার নিত্য প্রক্রিয়াই শান্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়ন বিস্ময়। বিগত এক দশকে দারিদ্র্য ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের ৯৫ ভাগ এলাকা বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। ৫ হাজার ইউনিয়ন ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, ১০০টি বিশেষায়িত ইকোনমিক জোন এবং ধারাবাহিকভাবে জিডিপি ৮ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ শান্তিকে প্রাধান্য দেয় বলেই জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সর্বোচ্চ অবদান রাখছে। সেই কারণে বাংলাদেশ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। এখন তাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।

"