৮৫ হাজার মে.ওয়াট বিদ্যুতের লক্ষ্যে কাজ চলছে

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। তার পরও সরকার ৮৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, সারা দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই জোনগুলোতে কল-কারখানা স্থাপন হলে বিদ্যুতের চাহিদা যেমন বাড়বে, অন্যদিকে বিরাটসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিল্ড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো-২০১৯’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের মিরসরাই ইকোনমিক জোনে প্রায় পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে, যেখানে প্রায় ৫০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। স্বপ্নের উন্নত দেশ বা উন্নয়শীল একটি দেশ গড়তে হলে আমাদের শুধু কৃষি বা গার্মেন্টশিল্পের ওপর নির্ভরশীল থাকা যাবে না। সেজন্য আমাদের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। এখন মানুষের মাথাপিছু আয় হচ্ছে ২ হাজার ডলার, কাক্সিক্ষত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারলে মানুষের আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলারে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি জানান, ১৯৯৬ সালে তিনি যখন প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন দেশে তখন মোট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৪০০ ডলার, দারিদ্র্যর হার ছিল ৬০ শতাংশ। ২০০১ সালের পর থেকে ২০০৮ পর্যন্ত দেশে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়নি। সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন বাংলাদেশ অনেক বেশি সক্ষমতার জায়গায় অবস্থান করছে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু জীবদ্দশায় বলেছিলেন, দেশকে তিনি সুইজারল্যান্ড বানাবেন, উনি বলতেন ওনার লোকজন আছে, টাকা না থাকলেও তিনি সেটা করতে পারবেন। এ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলতেন, কিন্তু আজকের এই প্রেক্ষাপটে এসে মন্ত্রী নিজেও বলেন, এমন স্বপ্নের দোরগোড়ায় আছে আমাদের প্রিয় এ দেশ।

সেমস গ্লোবাল নামের আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন আয়োজিত নির্মাণ শিল্পসাগ্রমীর এক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানে ১৪ দেশের ২৬৭টি কোম্পানি প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কায়কাউসসহ নির্মাণসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকতারা।

"