পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট

৬ দিন পর লঞ্চ চলাচল শুরু

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ৬ দিন বন্ধ থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে গত শুক্রবার থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ। নদীতে স্রোতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় গতকাল সকাল থেকে পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু করে কর্তৃপক্ষ। প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট-

মানিকগঞ্জ : বিআইডব্লিউটিএ আরিচা কার্যালয়ের নৌ ট্রাফিকের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, পদ্মায় তীব্র ¯্রােতের কারণে গত শুক্রবার থেকে সাময়িকভাবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ¯্রােতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় গতকাল সকাল থেকে এই নৌরুটে লঞ্চ চলাচল শুরু করা হয়। বিআইডব্লিউটিসি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে পাটুরিয়া প্রান্তে ¯্রােত বা ঘটের কোনো সমস্যা নাই। সমস্যা হচ্ছে দৌলতদিয়া প্রান্তে। এরই মধ্যে সেখানকার দুটি ঘাট নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন ১৬টি ফেরির মধ্যে ৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এতে করে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে।

রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ : দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে গত বুধবার (৯ অক্টোবর) থেকে কিছুটা পদ্মার পানি কমতে থাকায় ¯স্রোতের তীব্রতাও কিছুটা কমে আসে। এতে ১৬টি ফেরির মধ্যে ৫টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আলী জানান, ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নদীতে কিছুটা ¯্রােত কমেছে সে কারণে সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।

এদিকে পদ্মা নদীর ভাঙন চলমান থাকায় দৌলতদিয়া ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকা সিদ্দিক কাজীপাড়া, সাত্তার মেম্বার পাড়া, নতুন পাড়া, নহারী মন্ডল পাড়া, আফসার শেখের পাড়া, ঢল্লাপাড়া, ১নং বেপারী পাড়া এবং দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাউয়ানি, বেথুরী এলাকায় প্রায় সহস্রাধিক পরিবারের বাড়িঘর ও শত শত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বিলীন হয়ে যায় একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান।

দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত সদস্য চাম্পা আক্তার বলেন, এবার আমার বাড়িও নদীগর্ভে চলে গেছে। অনেকে রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। শুকনো মৌসুমে নদী শাসন না করলে মানচিত্র থেকে দৌলতদিয়া ওদেবগ্রাম ইউনিয়ন হারিয়ে যাবে।

 

"