তীব্র স্রোত ও নাব্য সংকট

পদ্মার ২ নৌরুটে ফেরি বন্ধ : ভাঙন

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

পদ্মার তীব্র স্রোতে ভাঙছে নদী আর সর্বস্বান্ত হচ্ছে ভাঙনকবলিত মানুষ। স্রোতের পাশাপাশি নাব্য সংকটে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ রয়েছে ফেরি চলাচল। প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্টÑ

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) : পদ্মার ভাঙনে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে তীব্র ¯্রােতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নদীতে চলে গেছে দৌলতদিয়া পাড়ের ১ ও ২নং ফেরিঘাট। মাত্র তিনটি ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে। এতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় ৪ কিলোমিটার যানবাহনের সারি রয়েছে। ভাঙনকবলিত হালিম খান বলেন, নদীভাঙনে আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিয়ে থাকতে হচ্ছে। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য উজ্জ্বল হোসেন বাবু বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বর্ষার আগে শুকনো মৌসুমে এখনকার মতো সার্বক্ষণিক কাজ করলে ঘাটের কোনো সমস্যা হতো না।

রাজবাড়ী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাট রক্ষায় বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলানো হচ্ছে। কাজী কেরামত আলী এমপি বলেন, পাউবো ভাঙনরোধে কাজ করছে। তবে গোয়ালন্দ উপজেলা রক্ষা করার জন্য শুকনো মৌসুমে স্থায়ীভাবে নদীশাসন করতে হবে।

মাদারীপুর : প্রবল ¯্রােতের কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। কখন নাগাদ ফেরি চলাচল শুরু হবে তা জানাতে পারেনি বিআইডব্লিউটিসি। পারাপারের অপেক্ষায় থাকা পরিবহনচালক ও শ্রমিকদের দুর্ভোগ বেড়েছে। আগস্ট মাস থেকেই ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ট্রাকচালক আ. কাদেরও ইব্রাহিম বলেন, সোমবার বিকাল থেকে পারাপারের অপেক্ষা করছি, কখন যেতে পারব কেউ জানে না। ঘাটে খাবারের দামও বেশি। খুবই কষ্টকর এই রুটে চলাচল। পণ্যবাহী এক ট্রাকের শ্রমিক বলেন, ট্রাকে থাকা সবজি নষ্ট হচ্ছে, সময় নষ্ট হচ্ছে আর আমাদের খরচও বাড়ছে।

 

"