রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের সফরে তাড়াইল যাচ্ছেন আজ

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাত দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে আজ বুধবার নিজ জেলা কিশোরগঞ্জের ‘ভাটিকন্যা’ খ্যাত তাড়াইলে আসছেন। সেখানে তিনি স্বাধীনতা ‘৭১ ভাস্কর্য উদ্বোধন করবেন এবং নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। এরপর কিশোরগঞ্জ সদর, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলা সফর শেষ করে আগামী ১৫ অক্টোবর তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের রাজনৈতিক জীবনের ১৯৭০ সালের প্রথম নির্বাচনী এলাকার (তাড়াইল-ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম-নিকলী) তাড়াইল উপজেলায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে এটিই তার প্রথম সফর।

রাষ্ট্রপতির এই সফরকে ঘিরে তাড়াইল উপজেলাসহ আশপাশের কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, ইটনা, নান্দাইল, কেন্দুয়া ও মদন এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ সদর, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলা সফর করবেন। সফরের প্রথম দিন বুধবার (৯ অক্টোবর) তাড়াইল উপজেলায় সফরের মধ্যদিয়ে সাত দিনব্যাপী এই সফর শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ঢাকা থেকে দুপুরে তাড়াইল উপজেলার উদ্দেশে হেলিকপ্টার যোগে রওনা দেবেন।

তিনি তাড়াইল উপজেলার শিমুলহাটি হেলিপ্যাডে অবতরণ করে সড়কপথে উপজেলা সদরে যাবেন। তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্বাধীনতা ‘৭১ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করবেন। এর আগে রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হবে।

সফর কর্মসূচি ও স্থানীয় প্রশাসনের সূত্র মতে, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। শ্রম ও কর্ম সংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. মুজিবুল হক চুন্নু (এমপি) ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। বিকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে তাড়াইল ত্যাগ করবেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে সাতবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আর এই আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা থেকে তার ওপর অর্পিত হয় বিরোধীদলীয় উপনেতা, ডেপুটি স্পিকার, স্পিকার এবং পরপর দুবার রাষ্ট্রপতির মতো গুরু দায়িত্ব। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পান স্বাধীনতা পদক।

 

"