উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসকের শিক্ষা শাখা কার্যালয়। অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত ৩ আগস্ট তারিখে ইস্যু করেছে জেলা প্রশাসন কার্যালয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪/০৭/২০১৯ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি অভিযোগ দেন হারুনূর রশিদ। অভিযোগে তিনি জানান, ১৮/০৩/২০১৯ একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেয় বেসরকারিভাবে পরিচালিত কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে। সেই অনুযায়ী গত ০৩/০৫/২০১৯ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিতভাবে ফেল করা প্রার্থী হাফিজুর রহমান মোল্লাকে মৌখিক পরীক্ষার সুযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সুকৌশলে প্রথম বানিয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে। নিয়োগ কমিটি কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়া স্কুলের প্রভাবশালী মহলের ইঙ্গিতে তড়িগড়ি করে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয় হাফিজুর রহমান মোল্লাকে। উত্তরা হাইস্কুলের অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষায় ৭ জন প্রার্থী অংশ নিলেও লিখিত পরীক্ষায় সবাই অকৃতকার্য হয়। লিখিত পরীক্ষায় সবাই ফেল করলেও শুধুমাত্র হাফিজুর রহমানকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে সুযোগ দেওয়া হয় এবং শুধুমাত্র তাকেই পাস করানো হয়। এভাবে নিয়োগ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ফেল প্রার্থী হাফিজুর রহমানকেই নিয়োগ দেওয়া হয় অনৈতিক সুবিধা নিয়ে। যা হারুনূর রশিদের অভিযোগে উঠে এসেছে। এ বিষয়ে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কমিটির সদস্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদুর রহমানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, যা জানতে চান সামনে আসেন মোবাইলে কথা বলব না।

এদিকে নিয়োগ কমিটির কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে তারা বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে স্কুল অ্যান্ড কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি উত্তরা ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান বলেন, আসলে স্কুলটা ভালো চলছে তাই একটি পক্ষের এতে ভালো লাগছে না।

তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসার বেনজির আহহদে প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করব। তবে অনিয়েমের প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই নিয়োগ বাতিল হবে।

 

 

"