‘অকেজো’তে আনন্দ...

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

দরকারি বস্তুকে অপ্রয়োজনীয় করে তুললেই কি তার মর্যাদা বোঝা যায়? গ্রিসের এক ডিজাইনার দৈনন্দিন জীবনের এমন সব বস্তুর মধ্যে রদবদল করে ঠিক সেই কাজই করছেন। অন্যদেরও তিনি এমন লাগামহীন কল্পনায় উদ্বুদ্ধ করছেন। এটা তার ভিন্ন রকম আনন্দ।

ডিজাইনার ও স্থপতি হিসেবে কাটেরিনা কাম্প্রানি দৈনন্দিন জীবনের অনেক বস্তু অকেজো করে তোলেন। যেমন এমন এক ঝাঁঝরি, যা দিয়ে গাছে পানি দেওয়া সম্ভব নয় । অথবা এমন ঝাঁটা, যা দিয়ে ঘর সাফ করা যায় না। তিনি এমন এক হাঁড়িও সৃষ্টি করেছেন, চুলা থেকে যা নামাতে গেলে দেখা যাবে, যে দুটি হ্যান্ডেলই একই দিকে রয়েছে।

এমন সব উদ্ভট সৃষ্টিকর্মের সার্থকতা ব্যাখ্যা করে কাটেরিনা বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার লক্ষ্য। কিন্তু আমার মতে, অন্য একটি পর্যায়ও রয়েছে। আশপাশের বস্তুগুলোকে উপেক্ষা না করাই এর উদ্দেশ্য। নির্দিষ্ট নিয়মনীতি অনুযায়ী সেগুলো ডিজাইন করা হয়েছে। সেই নিয়ম ভাঙলে মানুষ তখনই সেগুলোর মর্যাদা টের পায়। আমাদের তাই সীমানা অতিক্রম করে ভাবতে হবে।

কাটেরিনা আসলে এথেন্সে স্থপতি হিসেবে কাজ করেন। সময় পেলেই তিনি ‘দ্য আনকমফর্টেবল’ নামের ডিজাইন প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এর মধ্যেই ৩০টিরও বেশি বস্তু সেই সংগ্রহে জমা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে।

কাটেরিনা কাম্প্রানি এর মধ্যেই গোটা ইউরোপে নিজের কাজের প্রদর্শনী করেছেন। তার ওয়ার্কশপগুলোও ‘আনকমফর্টেবল’ সংকলনের ছোটখাটো প্রদর্শনী। এই প্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ডিজাইনার হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সংকটে জর্জরিত গ্রিসে সেটা সহজ ছিল না। তখন আমি ডিজাইনার হিসেবেই অস্বস্তিকর সৃষ্টির পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।

 

"