তরমুজখেকো কুমির

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

দানবের মতো শরীর, সঙ্গে বিশাল হাঁ। রসালো তরমুজ তাই সামান্য। কামড় বসাতেই দুমড়ে-মুচড়ে গেল তরমুজ। গল্পটা ফ্লোরিডার এক দানবদেহী কুমিরের। তার নাম বম্বার। সেন্ট অগাস্টিন অ্যালিগেটর ফার্ম জুয়োলজিক্যাল পার্কে কুমিরটির বাস। কর্তৃপক্ষের দাবি, গোটা পার্কে সবচেয়ে বড় কুমির হলো বম্বার।

কদিন আগের কথা। জলে শরীর রেখে মাথা তুলে হা করল বম্বার। তার হা-এ ছোড়া হলো আস্ত একটা তরমুজ। মুহূর্তের মধ্যেই ভর্তা হয়ে গেল তরমুজটি। আর বম্বারও ফিরে গেল জলে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অন্য পশুদের থেকে কুমিরের চোয়াল শক্ত। তাই তরমুজটি এক কামড়েই সাবাড়।

ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করেছে সেন্ট অগাস্টিন অ্যালিগেটর ফার্ম জুয়োলজিক্যাল পার্ক। তরমুজে কামড় বসানোর অংশটি সেøা-মোশনে রাখায় আগ্রহীরা দেখেও মজা পাচ্ছেন বেশ ভালো। তাই বেড়েই চলেছে ভিডিওটি দেখার সংখ্যা।

সব ধরনের কুমিরই আকৃতি ও জীববিজ্ঞানের নিয়ম অনুসারে একই রকম। কিন্তু তাদের আকার, প্রকৃতি, আচরণ ও বাসস্থানের ধরন প্রজাতি অনুসারে বিভিন্ন হয়। যদিও এসব ব্যাপারে তাদের মধ্যে বেশকিছু মিলও দেখা যায়। সব কুমিরই অর্ধ-জলচর প্রাণী। এরা মূলত নদী, হ্রদ ও জলাভূমির মিষ্টি জলেই বাস করে। কোনো প্রজাতির কুমির অর্ধ-লবণাক্ত ও লবণাক্ত জলেও বাস করে। এরা মাংসাশি প্রাণী। প্রধানত মাছ, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীই এদের খাদ্য। কুমির বিষুবীয় অঞ্চলে বাস করে। শীতল পরিবেশের প্রতি এরা সংবেদনশীল। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি বছর আগে ইওসিন যুগে এরা অন্যান্য ক্রোকোডিলিয়ান প্রজাতির থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিল কুমির প্রজাতি। ক্রোকোডাইলোমর্ফিয়ার অন্যান্য শাখার মতো এই শাখাটিও বিগত সাড়ে ২২ কোটি বছর ধরে নানা এই গোত্রের অনেক ‘গণ-বিলুপ্তি’ সত্ত্বেও টিকে আছে। তবে এখন বাসস্থানের সমস্যা ও বেআইনি শিকারের ফলে কুমিরের অনেক প্রজাতিই বিপন্ন বা লুপ্তপ্রায়।

"