রূপসী ঝর্ণা দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল প্রান্তের

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

মিরসরাইয়ে রূপসী ঝর্ণা দেখতে এসে পানিতে ডুবে মেহেদী হাসান প্রান্তের (২১) মৃত্যু হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বড় কমলদহ এলাকার রূপসী ঝর্ণা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান নাটোরের সদর উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের মো. নুরুল আমিনের ছেলে। তার পরিবার চট্টগ্রাম শহরের কর্নেলহাট প্রশান্তি আবাসিক এলাকায় থাকতো। প্রান্ত চট্টগ্রাম নগরীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট টেকনোলজিতে সিভিল ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন। মেহেদী হাসানের বন্ধু শাহরিয়ার ইসলাম বলেন, ছয় বন্ধু মিলে রূপসী ঝর্ণা দেখার জন্য যাই। ঝর্ণায় দ্বিতীয় স্তরে উঠে মেহেদীসহ আরো দুজন ওপর থেকে পানিতে লাফ দেন। এ সময় দুজন উঠে গেলেও মেহেদী উঠতে পারেননি। তিনি মুহূর্তের মধ্যে পানিতে ডুবে যান। আমরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে পানি থেকে তুলতে পারিনি। এভাবে তাকে হারাতে হবে কখনো ভাবিনি।

মেহেদী হাসানের বাবা মো. নুরুল আমিন বলেন, মেহেদী বুধবার রাতে আমাকে ফোন করে বলে বন্ধুরা মিলে রূপসী ঝর্ণা দেখতে যাবে। আমি নিষেধ করার পর সে চলে যায়। আজ দুপুরে তার বন্ধুরা আমাকে মোবাইলে জানায়, সে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে পানিতে পড়ে গেছে। এখানে এসে দেখি আমার প্রান্ত পানিতে নিখোঁজ হয়ে গেছে। পরে ডুবুরিরা প্রান্তর নিথর দেহ উদ্ধার করে। নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইয়াছির আরাফাত বলেন, রূপসী ঝর্ণায় পর্যটক ডুবে গেছে খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরবর্তী সময়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৩ ঘণ্টা পানিতে ডুবে থাকার পর মেহেদী হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। মেহেদী হাসানের লাশ সুরতহাল করে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শরীফ বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে মেহেদীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

"