প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সরকারি বিড়াল ল্যারি

প্রকাশ | ০৭ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জনগণের ম্যান্ডেট প্রধানমন্ত্রী বদল হলেও, বদল হয়নি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নিযুক্ত হ্যারি নামের বিড়ালটি, নিজের কাজ একইভাবে করে চলেছে ল্যারি। বিপুল জনপ্রিয়তা এবং কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠাÑ এই দুই কারণে তার বিকল্প খোঁজার কথা এখনো ভাবেনি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। বিগত কয়েক বছরে ছাঁটাই হয়েছেন অনেকেই। কিন্তু ছাঁটাইয়ের আঁচ ল্যারিকে ছুঁতে পারেনি আজও। স্বাধীনভাবে নিজের কাজ নিয়ে সারা দিন ব্যস্ত থাকে গম্ভীর স্বভাবের ল্যারি।

আসলে ল্যারি ব্রিটেনের ‘চিফ মাউসার’। অর্থাৎ, ইঁদুর ধরার কাজে সরকারিভাবে নিযুক্ত প্রধান বিড়াল। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনে ইঁদুর ধরার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী ‘ল্যারি দ্য ক্যাট’। এই ‘ল্যারি দ্য ক্যাট’ এর জন্য নির্ধারণ করা আছে বেতনও। সরকারিভাবে তার জন্য ১০০ পাউন্ড বরাদ্দ থাকে।

সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন। ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। সেই সময়েই ছাঁটাই হয় অনেকের। বেশ কয়েকজন নতুন কর্মীও নিযুক্ত করা হয়। সেই সময়েই আশঙ্কা করা হয়েছিল। এবার হয়তো বাদ পড়বে ল্যারিও। কিন্তু সব আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়ে নিজের কাজে একইভাবে বহাল রয়েছে ল্যারি।

তবে অনেকের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের আরামের চাকরিতে ইদানীং একটু কুঁড়ে হয়ে গেছে ল্যারি! অভিযোগ, দিনের বেশির ভাগ সময়টাই শুয়ে-বসে কাটায় সে। ইঁদুরের পেছনে তেমন ছোটাছুটি করা হয় না আজকাল। কিন্তু যে যাই বলুক, ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যমের কাছে এখনো সমান জনপ্রিয় ল্যারি।

তবে সরকারি বাসভবনে ইঁদুর ধরতে বিড়াল নিয়োগ করার প্রথা নতুন নয়। কয়েকশ’ বছর ধরেই চলে আসছে এই প্রথা। তবে এই পদের আগে কোনো স্বীকৃতি পেত না। ২০১১ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে চিফ মাউসার পদে ল্যারিকে নিয়োগ করেন।

 

"