অর্থ আত্মসাৎ

কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তা, আমদানিকারকসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৮টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক শেখ গোলাম মাওলা, আফরোজা হক খান এবং উপসহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

গণমাধ্যমকে তিনি জানান, সম্প্রতি চট্টগ্রাম কাস্টমসে আমদানিকৃত পণ্য খালাসে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পায় দুদক। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়ম উদ্ঘাটন হওয়ায় এই মামলাগুলো করা হয়েছে। মামলার আসামির তালিকায় কাস্টমস কর্মকর্তা, কাস্টমস কর্মচারী ও আমদানিকারক রয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার দুদকের চট্টগ্রাম-১ এর উপপরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন মামলা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, ২০১০-১১ সালে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা পণ্য প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে খালাস করে মোট ২ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা কাস্টমস ডিউটি ফাঁকি দেয়। অভিযোগে জানা গেছে, আসামিরা একে অপরের যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে আমদানি পণ্য খালাস করতেন।

মামলার আসামিরা হলেন হুমায়ুর কবির (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), নিজামুল হক (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), শফিউল আলম (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), সৈয়দ হুমায়ুন আখতার (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), সফিউল আলম (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), কাসিফ ফোরকান (প্রোপাইটর-মেসার্স গ্যাবী ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল), হারুন শাহ (স্বত্বাধিকারী এমআর করপোরেশন), আবুল হাসনাত সোহাগ, মমিনুল ইসলাম, মির্জা মো. আহসানুজ্জামান, এম এ আলীম, মুসা ভূঁইয়া, মইনুল আলম চৌধুরী, হাজী ফোরকান আহমেদ, সাইফুর রহমান, নুরুল আলম, জহিরুল ইসলাম, রুবেল আহমেদ, আইনুল হক, সাহিদুর রহমান, জোতিময় সাহা, সাইফুল ইসলাম ও ফাহাদ আবেদীন সোহান।

 

 

"