উন্নয়নবিরোধীরা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে

তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

যারা দেশের উন্নয়ন চায় না, তারাই দেশবিরোধী কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে সমাজের অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। তারা সমাজে শান্তি নষ্ট করছে। তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধের আহ্বান করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ উন্নত হচ্ছে এটি বিএনপির ভালো লাগছে না উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, এজন্য দেশে তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা দেশে গুজব ছড়াচ্ছে। তারা প্রথমে পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে, ছেলেধরা নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে, তারপর হারপিক আর ব্লিচিং পাউডার নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। এরপর এখন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এরা রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে, হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে গুজবের আশ্রয় নিয়েছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনজীবীদের আইনি লড়াই জোরদার করার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের এ মুখপাত্র বলেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে দেখলাম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিলে নাকি ডেঙ্গু মশা চলে যাবে। অর্থাৎ তারা এটি প্রমাণ করছে রাজনৈতিকভাবে তারা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তারা এও বলছে, আওয়ামী লীগ নাকি খালেদা জিয়ার মুক্তি চায় না। তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি আদালতের মাধ্যমে মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের তো কোনো বাধা নেই।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে জাপানের মতো একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেই কারণে প্রথম থেকেই জাপান বাংলাদেশের এক নম্বর উন্নয়ন সহযোগী। স্বাধীনতার পর থেকে আমরা জাপানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন সহযোগিতা পেয়েছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার কারণে সাড়ে তিন বছরের মাথায় সেই স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়। আজকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের জন্য বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে।

জিয়াউর রহমান জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন এমন দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, দেশ যখন অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন যেই শক্তিটি দেশের অভ্যুদয় চায়নি, সেই শক্তির পরবর্তী প্রজন্মের আশ্রয়স্থল হচ্ছে জিয়াউর রহমান। যারা বাংলাদেশ চায়নি, তাদের পুনর্বাসিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের ডেপুটি লিডার হিসেবে জাতিসংঘে গিয়ে পাকিস্তানের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন যে- বাংলাদেশে কোনো মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে না।

"