বন্যাকবলিতদের জন্য খাদ্য পাঠানোর সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

প্রকাশ | ১৯ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

দেশের বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছেন সংসদীয় কমিটির সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সংসদীয় কমিটির বৈঠক থেকে বন্যাকবলিত এলাকায় চাল, ডাল, লবণ, তেল, চিড়াসহ সব ধরনের খাদ্য দ্রুত পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা রোধের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া নিম্ন আয়ের জনগণকে খাদ্যসহায়তা দিতে সারা দেশে পরিচালিত ওএমএস কার্যক্রম আরো স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনার তাগিদ দেওয়া হয়। এজন্য নজরদারি ও তদারকি জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার, নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাজী মো. সেলিম, মো. আতিউর রহমান আতিক, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, আতাউর রহমান খান ও আঞ্জুম সুলতানা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে ভেজালমুক্ত খাদ্যগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে সারা বছর সার্বক্ষণিকভাবে খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে এ-সংক্রান্ত আইন ও সংস্থাসমূহকে আরো শক্তিশালীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এ সময় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতিকে মরণব্যাধি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগ থেকে রক্ষার জন্য ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসচেতনতা ও সমন্বিত কর্মপ্রচেষ্টার বিকল্প নেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আইন ও গৃহীত পদক্ষেপের আলোকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাসমূহকে সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করতে হবে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঢাকাসহ সারা দেশে নিয়মিতভাবে খাদ্যে ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জোরদার করা হয়েছে। ক্ষতিকর কেমিক্যালের অপব্যবহার রোধ ও বিএসটিআইর পরীক্ষায় নিম্নমানের পণ্যসমূহ বাজার হতে প্রত্যাহার ও জব্দকরণের কাজ চলছে। ক্যালসিয়াম কার্বাইডের অপব্যবহার বন্ধে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত ও তাদের নিকট হতে স্বচ্ছতার সঙ্গে সরাসরি খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যে দেশের ২০০ স্থানে ‘প্যাডি সাইলো’ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

"