এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে

পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদায়ী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এ হার ছিল ৯৪ দশমিক ১১ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা। তবে এটি মূল এডিপি নয়, সংশোধিত এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য দেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আগের চেয়ে এডিপি বাস্তবায়ন ভালো হয়েছে। মাঠপর্যায়ের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ বেড়েছে। আমি নিজে মাঝে মাঝে প্রকল্প পরিদর্শনে যাই।’ এখন আর প্রকল্প পরিচালকদের ধাওয়া করা হয় না। কোনো সমস্যা থাকলে তাদের জানাতে বলি। অর্থছাড় সহজ হয়ে যাওয়ায় এডিপি বাস্তবায়ন আগের চেয়ে বেড়েছে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী মনে করেন।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপির ৯৪ দশমিক ১১ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছিল। তখন অবশ্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা খরচ করা সম্ভব হয়েছিল। আগের বারের চেয়ে বিদায়ী অর্থবছরে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বেশি খরচ হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তৈরি করা হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট এডিপি বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এ অর্থবছরে মোট প্রকল্প ১ হাজার ৯৭৮টি। গত বছর প্রকল্পের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭৪০টি। বছরের শুরুতে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০৬টি। সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে যুক্ত নতুন প্রকল্প সংখ্যা ৫৭২টি।

এডিপি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, গত অর্থবছরের তুলনায় এডিপি বাস্তবায়ন বেড়েছে। আমাদের সক্ষমতাও বেড়েছে। পিডিদের (প্রকল্প পরিচালক) সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের আরো উন্নয়ন হয়েছে। মানুষের কল্যাণে প্রকল্প নেওয়া হয়। সব পিডির জন্য আমার দরজা খোলা।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মাঠে যাচ্ছি, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি দেখছি। সব সময় প্রকল্প পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। প্রকল্পের সময় ও ব্যয় যেন না বাড়ে, সে বিষয়ে আমাদের নির্দেশনা আছে। মূলত এসব কারণেই এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে। কারণ এডিপি বাস্তবায়ন নির্ভর করে পিডিদের ওপর।

 

"