বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

সংসদে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে পড়ছে কথাটি সঠিক নয়। বরং বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতায় বিশ্বে বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ১৭৩টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার সিলেট-২ থেকে নির্বাচিত এমপি মোকাব্বির হোসেনের মৌখিক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ২০১৪ সালে বিদেশে কর্মী পাঠানোর হয়েছিল ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬৮৪ জন বর্তমানে অর্থাৎ ২০১৭ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন; যার মধ্যে গত বছরে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ জন। স্পিকারের সভাপতিত্বে বিকালে এ অধিবেশন শুরু হয়।

সংরক্ষিত মহিলা এমপি শেখ এ্যানী রহমানের প্রশ্নের জবাবে ইমরান আহমদ বলেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাড়ে ৮ লাখের বেশি নারী কর্মী কর্মরত আছেন। সেখানে বাংলাদেশি নারীরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। এসব নারীদের সুরক্ষায় নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম শামসুন নাহারের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, অদক্ষ কর্মীর তুলনায় দক্ষ কর্মীর অভিবাসন ব্যয় কম এবং বেতন ও চাহিদা বেশি।

সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম হাবিবা রহমান খানের প্রশ্নের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বর্তমান সরকারের বিগত দুই মেয়াদে ২০০৯-১৮ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫ কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয়েছে। এ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রথমবারের মতো প্রত্যেক উপজেলা থেকে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ-৪ এর এমপি মো. আনোয়ারুল আজীমের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেসব বাংলাদেশি প্রতারণার শিকার হয়ে জেলে আটক আছে তাদের দেশে ফেরত আনার জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে; যার মধ্যে প্রবাসে কর্মরতদের আইনগত সহায়তার জন্য বিভিন্ন দেশে ৩০টি শ্রম উইং প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রতারিত হয়ে জেলে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির জন্য শ্রমকল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে আইনগত সহায়তা প্রদান করে দেশে ফেরত আনা হয়। এজন্য দূতাবাস-হাইকমিশন কর্তৃক নিয়োজিদ বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে মামলাগুলো তদারকি করা হয়।

 

"