তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে

স্পিকার

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত দশ বছরে দেশে ডিজিটাল রূপান্তরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে। এরই মধ্যে ডিজিটাল পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল লিডারশিপ গড়ে উঠবে।

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে তার কার্যালয়ে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে সাক্ষাতে স্পিকার এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় উভয়ই ডিজিটাল পার্লামেন্ট বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ও সংসদ সদস্যদের জন্য আইসিটি প্রশিক্ষণের বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। স্পিকার বলেন, ডিজিটাল পার্লামেন্ট বাস্তবায়ন হলে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যরা সার্বক্ষণিক পার্লামেন্ট কার্যক্রমে সংযুক্ত থাকতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে নিজ এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কও গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

আগামী জুলাই মাসে সব সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ : স্টোরি অব ট্রান্সফরমেশন’ শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করা হবে। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, যা স্পিকারকে অবহিত করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি তাদের সাচিবিক সহায়তা প্রদানকারীদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডিজিটাল লিটারেসিতে দক্ষ করে তোলা হবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ‘ইন্ট্রিগ্রেটেড ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফরম ফর বাংলাদেশ পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েট’ এর ডিজাইন স্পেসিফিকেশনের কপি স্পিকারকে হস্তান্তর করেন।

এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ উপলক্ষে বিস্তাারিত আলোচনা করেন।

কৃষি শুমারির অংশ হিসেবে গণনাকারীরা স্পিকারের কাছ থেকে খাদ্যশস্য, মৎস্য ও পশুসম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবাদি জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগির সংখ্যা, কৃষি যন্ত্রপাতি, খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কৃষি শুমারি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বলে উল্লেখ করেন। তিনি শুমারি চলাকালে প্রকৃত ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে গণনাকারীদের পরামর্শ দেন। কৃষি শুমারি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করবে।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান কৃষি শুমারি-২০১৯ এর সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ ৯ জুন শুরু হয়ে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। এ সময় গণনাকারীরা মাঠপর্যায়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। দেশব্যাপী প্রায় দেড় লাখ তরুণ-তরুণী গণনাকারী এ কাজে অংশ নিয়েছেন।

 

"