ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন?

প্রকাশ : ২৭ মে ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারে ইসবগুলের ভুসির শরবত শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তারা ইসবগুলের ভুসির শরবত খেতে পানেন। এছাড়া হজমসহ পেটের নানা সমস্যা থেকে বাঁচতে ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে থাকেন রোজাদারেরা। রোজা রাখলে অনেকের প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হয়। ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমবে এবং প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাতে, পায়ে জ্বালাপোড়া ও মাথা ঘোরানো রোগে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিলিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা পাইলস হওয়ার প্রধান কারণ। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ইসবগুলের ভুসি খেলে উপকার পাবেন। ইসবগুলের ভুসি যেভাবে খাবেন? ইসবগুল নিয়ে এক কাপ ঠান্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে তাতে দুই-তিন চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর সাহ্রিতে বাসিপেটে খেলে উপকার পাবেন। ডায়রিয়া হলে ইসুবগুল ভুসি খেতে পারেন। এজন্য ৭ থেকে ২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে। প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও প্রস্রাব হলুদ হলে দিনে দুবার এক গ্লাস শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ভালো হয়ে যাবে।

ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারবে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু পেট থেকে বের করে দিতে পারবে। আমাশয়ের রোগীরা সাহ্রি ও ইফতারে শরবতের সঙ্গে খেতে পারেন ইসবগুলের ভুসি। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ওজন কমাতে খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।

 

"