দুর্গাপুরে দুই রোহিঙ্গা নারীসহ ৩ দালাল আটক

প্রকাশ : ২৭ মে ২০১৯, ০০:০০

দুর্গাপুর প্রতিনিধি

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর এলাকা থেকে দুই রোহিঙ্গা নারীসহ তিন দালালকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাত ৩টার দিকে হেলাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। এই নারীরা রোহিঙ্গা কিনা তা যাচাই করার জন্য তাদের রাজশাহী পুলিশ সুপারের অফিসে পাঠানো হয়েছে। তবে এই নারীদের কথা বার্তা শোনে স্থানীয়রা বলেছেন এরা রোহিঙ্গা।

আটককৃতরা হলেন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা ওরফে রোমানা এবং আরমানের স্ত্রী পারভীন ওরফে ইয়াসমিন। আর আটক দালাল তিনজন হলেন দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামের আলী আহমেদ চৌধুরীর ছেলে হেলাল চৌধুরী, ঝিনাইদহের শৈলকূপার রঘুনাথপুরের আজিম উদ্দিন মোল্লার ছেলে আল মামুন, মেহেরপুরের গাংনী ইউনিয়নের বাথানপাড়া গ্রামের আবদুল বারেকের ছেলে সাগর আহমেদ।

স্থানীয়রা জানায়, আলীপুর গ্রামের আলী হোসেন চৌধুরীর ছেলে হেলাল চৌধুরীর বাড়িতে প্রায় দেড়মাস মাস ধরে ওই রোহিঙ্গা নারীসহ বসবাস করে আসছিল। তারা আসার পর থেকে স্থানীয় লোকজনের এ ব্যাপারে সন্দেহ হয়। পরে শনিবার রাতে থানার পুলিশ হেলালের বাড়িতে অভিযান পারিচালনা করে। এ সময় হেলালের বাড়ি থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী ওই দুই নারীকে আটক করে পুলিশ। আটক ওই নারীদের রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছেন পুলিশ। দুর্গাপুর থানার ওসি আবদুল মোতালেব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে তাদের আটক করে থানায় আনা হয়। বর্তমানে তাদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসানও এখানে উপস্থিত রয়েছেন।

ওসি আরো জানান, প্রকৃতপক্ষেই তারা রোহিঙ্গা কিনা তা রোববার দুপুর পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আটককৃতদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট করে রাজশাহী সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল দালাল চক্রের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, তারা প্রকৃত রোহিঙ্গা শরণার্থী কিনা তা যাচাই বাছাই করার জন্য গতকাল রোবাবার বিকালে রাজশাহীর পুলিশ সুপারের কার্যালায়ে তাদের প্রেরণ করা হয়েছে। যাচাই বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

 

"