বাঘায় বন্দুকযুদ্ধে চোরাকারবারি কালু নিহত

প্রকাশ : ১১ মে ২০১৯, ০০:০০

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাঘা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারির দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে ১০ মামলার আসামি মাদক সম্রাট জিয়ারুল ইসলাম কালু নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কেশবপুর এলাকার একটি আম বাগানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়ারুল ইসলাম কালু উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে বলে জানা গেছে।

এ দিকে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ৯ জন পুলিশ আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাঘা সীমান্ত এলাকার কেশবপুর গ্রামের একটি আম বাগানে অভ্যন্তরীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ বাধে। এ খবর পেয়ে সেখানে রাজশাহী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেবের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপস্থিত হয় এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান ও বাঘা থানার ইনচার্জ মহসীন আলী। এদিকে ঘটনার এক পর্যায় চোরাকারবারিরা সেখান থেকে পালিয়ে গেলে উক্ত আম বাগানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালু (৩৯) এর লাশ, এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কালুর নামে বাঘা ও চারঘাট থানায় একটি অস্ত্র মামলাসহ মোট ১০টি চোরাচালান মামলা রয়েছে বলেও নিশ্চিত করে পুলিশ।

বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আক্তারুজ্জামান গুলিবিদ্ধ জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যু নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর আহত ৯ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এরপর নিহত কালুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে নিয়েছে পুলিশ। বাঘা থানার ওসি মহসীন আলী জানান, চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে তাদের ছোড়া ইট-পাটকেল ও গুলিতে আহত হয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান, বাঘা থানার ইনচার্জ মহসীন আলী নিজে, জেলা গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ পরিদর্শক উৎপল কুমার, এসআই উসমান গনি এবং বাঘা থানা উপপুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম এবং বাঘা থানার দুজন কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও মাহাফুজুল আলম।

"