এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম বন্ধ হচ্ছে

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

একজন গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে নিবন্ধন করা ১৫টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে আজ মধ্যরাতে (রাত ১২টার পর)। তবে করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, পাঁচটি অপারেটরের ২০ লাখ ৪৯ হাজার সিম ওই রাতে নিষ্ক্রিয় করা হবে। এক এনআইডির বিপরীতে অসংখ্য সিম নিয়ে অপরাধ প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসির কাছে রক্ষিত আছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভা-ারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে কার কাছে কতটি সিম রয়েছে। এতে অপরাধ প্রবণতা কমে এসেছে বলে দাবি করছে সরকার।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন খান জানান, ২৬ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল থেকে এক এনআইডির অতিরিক্ত সিম বন্ধ হয়ে যাবে।

বিটিআরসি জানায়, অতিরিক্ত সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৪ লাখ ৬১ হাজার, বাংলালিংকের ৪ লাখ ৫৫ হাজার, রবির ৪ লাখ ১৯ হাজার এবং টেলিটকের ৪ লাখ ৮৭ হাজার সিম বন্ধ করা হবে। এর আগে কয়েক দফায় ১৫টির বেশি সিম নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

বিটিআরসি সর্বশেষ ব্যক্তি পর্যায়ে সিমের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন গ্রাহকের প্রি-পেইড, পোস্ট পেইড মোবাইল অপারেটর নির্বিশেষে সিম/রিমের সর্বমোট সংখ্যা ১৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ওই সীমার বাইরে কোনো গ্রাহক (করপোরেট গ্রাহক ব্যতীত) সিম/রিম নিবন্ধন করতে পারবেন না। তবে গ্রাহকের সুবিধার্থে সিমগুলো চালু রাখা হবে।

বিটিআরসি জানায়, এখন থেকে নির্ধারিত সীমার বাইরে কোনো গ্রাহক (করপোরেট গ্রাহক ছাড়া) সিম নিবন্ধন করতে পারবেন না। করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য সিম/রিম ক্রয়ের জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি (পয়েন্ট অব কন্টাক্ট) ওই সর্বোচ্চ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন।

বিটিআরসির সর্বশেষ মার্চের হিসেবে দেখা গেছে, দেশে মোট ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৭ কোটি ৪০ লাখ ৫৩ হাজার, রবির ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪১ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার এবং টেলিটকের ৪০ লাখ ১৪ হাজার সিমের গ্রাহক রয়েছে।

 

"