তুরাগ তীরের জব্দ বালু নিলামে বিক্রি

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

তুরাগ নদের তীর থেকে জব্দ করা বালু নিলামে বিক্রি করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকার সাভার উপজেলার রসুলপুর এলাকায় অভিযান শুরুর পর জব্দ বালু নিলামে বিক্রি শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার ছিল তৃতীয় দফা অভিযানের প্রথম দিন। আর গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো তুরাগের উভয় তীরে অভিযান পরিচালনা করছে কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা জানান, রুস্তমপুর এলাকায় তুরাগ নদের জলাশয় ভরাট করে বালুর ব্যবসা করছেন দখলদারেরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, অভিযানে থাকা নির্বাহী হাকিম মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নিলামে মালামাল বিক্রি করা হচ্ছে। ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় লাল বালু বিক্রি করা হয়। ভিটিবালু নিলামে বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা। এর আগে গতকাল পঞ্চবটি এলাকায় এনডিই নামে রেডিমিক্স কংক্রিট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিদেশি পাথর ৯৬ লাখ টাকা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল।

তৃতীয় দফা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র অভিযানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। অভিযানে থাকা বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক, ঢাকা নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, দখলদারেরা যতই প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর তীরে ৫২ কিলোমিটার জুড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার তুরাগ তীরে পঞ্চবটি এলাকায় এনডিই নামে একটি রেডিমিক্স কংক্রিট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাথর নিলামে বিক্রির পর তা অপসারণ করতে গেলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৯৬ লাখ টাকায় বিক্রি ওই পাথর রাতে অপসারণ করতে এলে আরিফ নামে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি সেখানে এসে বাধা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে ওই পাথর ৯৬ লাখ টাকায় বিক্রির পর রাতে অপসারণ কাজ শুরু করা হয়েছিল। তখন মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) আরিফ পরিচয়দানকারী ব্যক্তি ওই বালু পাথর অপসারণে বাধা দেন।

আরিফ উদ্দিন বলেন, ওই ব্যক্তি ১০টি মালবাহী ট্রাক এনে নিলামে বিক্রি হওয়া পাথর সরিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। এ সময় ১০ জন চালককে রাতভর আটক রেখে সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

"