বুড়িমারীতে বাস কাউন্টারে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে যশোদা পরিবহন নামে একটি বাস কাউন্টারে এক নারী যাত্রীকে চার দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের চার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন পাটগ্রাম থানার ওসি মো. মনসুর আলী।

বুড়িমারী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোদা পরিবহন বাস কাউন্টারের কর্মচারী রেজাউল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে পাটগ্রাম থানার ওসি মনসুর আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের শিকার বাসযাত্রীকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে কাউন্টারের কর্মচারী রেজাউল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর ধর্ষণের শিকার নারী বাদী হয়ে রেজাউল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে পাটগ্রাম থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

গ্রেফতার রেজাউল ইসলামের বাড়ি বুড়িমারী ইউনিয়নের মুংলীবাড়ী এলাকায়। তিনি সিরাজুল ইসলামের ছেলে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বুড়িমারী স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশে গত ১৮ মার্চ বুড়িমারীতে আসেন ওই নারী। এরপর তাকে কাগজপত্র তৈরি করে দেওয়ার নাম করে যশোদা পরিবহনের বুড়িমারী কাউন্টারে নিয়ে গিয়ে সেখানে একটি কক্ষে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত চারজন।

বৃহস্পতিবার যশোদা বাস কাউন্টারের একটি কক্ষে ওই নারীর কান্নার শব্দ পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন পাটগ্রাম থানা পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পাটগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় কাউন্টারের কর্মচারী রেজাউল করিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ওই নারীর মামলার পর রেজাউল করিমকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

পাটগ্রাম থানার ওসি মো. মনসুর আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ যশোদা বাস কাউন্টার ঘেরাও করে ধর্ষক রেজাউল করিমকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছেন। অপর আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

"