ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৯

সড়কে গাড়ি পার্কিং : যানজট

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

পাঠান সোহাগ

বাণিজ্য মেলায় সড়ক দখল করে গাড়ি পার্কিং। সড়কের দুই পাশে সারি সারি গাড়ি। মেলায় আগত গাড়িগুলো মাঝ সড়কে দিয়ে চলাচল করছে। গণভবন সরকারি হাইস্কুল থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পর্যন্ত সম্পূর্ণ সড়কে দুই সারি গাড়ি রাখা আছে। এতে সার্বক্ষণিক যানজট লেগেই আছে। ফলে দর্শনার্থী ও ক্রেতারা পায়ে হেঁটে প্রবেশ করতেও বিপত্তিতে পড়ছেন। এদিকে গতকাল মেলায় দর্শনার্থী ও ক্রেতা কম ছিল। বিক্রিও কম হয়েছে।

মেলা শুরুর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তাদের নির্দেশনাগুলোর সঠিকভাবে পালন হচ্ছে না। এমনটাই অভিযোগ করেছেন মেলায় আগত দর্শনার্থী ও ক্রেতারা।

ট্রাফিক বিভাগের নিদের্শনায় বলা হয়েছিল, মেলা চলাকালীন সরকারি ছুটির দিনে খামারবাড়ি থে?কে আগারগাঁও লাইট ক্রসিং পর্যন্ত রিকশা, ভ্যানগাড়ি, ঠেলাগাড়িসহ অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া যানবাহন নিয়ে বিজয় সরণি ক্রসিং হয়ে মেলার প্রবেশ করতে হলে, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মধ্যবর্তী সড়ক দিয়ে মেলায় প্রবেশ করে ১নং পার্কিং ব্যবহার করবে। নিউমার্কেট ও ধানমন্ডি এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থীরা যানবাহন নিয়ে মিরপুর রোড ব্যবহার করে মেলায় আসবেন। এ সড়ক ব্যবহারকারীদের মেলার ২নং পার্কিং ব্যবহার করবে। গাবতলী ও মোহাম্মদপুর এলাকার জন্য র‌্যাব-২ এর অফিসের বিপরীতে সরকারি কলোনি মাঠে (৩নং পার্কিং) গাড়ি পার্ক করে মেলায় প্রবেশ করবে। পল্লবী, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়ার জন্য (৩নং পার্কিং) এবং পাশের মাঠের ট্রাফিক পুলিশের নির্ধারিত স্থানে (৪নং পার্কিং) গাড়ি পার্ক করে মেলায় প্রবেশ করবে। মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের জন্য বিআইসিসির পশ্চিম পাশের ফাঁকা জায়গায়, ট্রাফিক কন্ট্রোল অ্যান্ড কমান্ড সেন্টারের সামনে এবং পিডব্লিউডি অফিসের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় পার্ক করে মেলায় প্রবেশ কববে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য চার চাকার প্রতি গাড়ি ৩০ টাকা এবং দুই ও তিন চাকার গাড়ির জন্য ১০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সড়ক ব্যবহার করে মেলায় প্রবেশ নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি পার্কিং করছেন না গাড়িচালকরা। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন দর্শনার্থী ও ক্রেতারা। মেলায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউন্ডারির ঘেঁসে এক সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। এ সময় কথা হয় ড্রাইভার মো. সুমনের সঙ্গে। তিনি জানান, সবাই এখানে গাড়ি পার্কিং করেছেন। আমি তাদের দেখাদেখি পার্কিং করলাম। ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন জানান, আমার গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ২০ টাকা নিয়েছে। কোথায় পার্কিং করতে হবে সেটা বলে দেয়নি। মেলাায় আগত দর্শনার্থী আমিনুল ইসলাম জানান, এভাবে সড়কে গাড়ি পার্কিং করার জন্য আমাদের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে।

নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশ সার্জেন্ট মো. জাহিদ ও আনসারুল ইসলাম জানান, আমরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছি। কে কোথায় গাড়ি পার্কিং করবে সেটা গাড়ি ঢোকার সময় বলে দেওয়া হয়। তবে পার্কিংয়ে জায়গা না থাকায় হয়তো, তারা রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করছেন। ওপরের নির্দেশ পেলে আমরা সড়কের গাড়ি সড়িয়ে দেব।

"