ইউটিউব থেকে শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

ইউটিউবে খেলনা দেখিয়ে সাত বছরের রায়ান সবচেয়ে বেশি আয় করা তারকায় পরিণত হতে চলেছে। ইউটিউব থেকে এই সাত বছরের শিশুটি আয় করেছে ১৭৬ কোটি টাকা। ফোর্বস ম্যাগাজিন ধারণা করছে, জুন মাস নাগাদ এই শিশুটির ইউটিউব চ্যানেল ‘রায়ান টয়স রিভিউ’ টপকে যাবে এখনকার ইউটিউবের সেরা তারকা জ্যাক পলকে। আয়কর বা এজেন্টদের ফি ছাড়া রায়ানের আয় গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনবিসি চ্যানেল রায়ানের কাছে জানতে চেয়েছিল, শিশুরা কেন তার ভিডিওগুলো দেখতে পছন্দ করে? রায়ানের উত্তর, ‘কারণ আমি মজা করতে পারি।’ বিবিসি গতকাল মঙ্গলবার এ খবর জানায়।

রায়ানের বাবা-মা ২০১৫ সালে ওই চ্যানেলটি তৈরি করেন। এরপর এখানকার ভিডিওগুলো এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ কোটি বার দেখা হয়েছে। এসব চ্যানেলের ১ কোটি ৭৩ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। ‘ফোর্বস’ বলছে, ভিডিও শুরুর আগে যে বিজ্ঞাপন দেখানো হয় তা থেকেই ২১ মিলিয়ন ডলার (৮০ টাকা ডলার হিসাবে ১৭৬ কোটি টাকা) আয় করেছে রায়ান।

এই ভিডিওতে যেসব খেলনা বর্ণনা তুলে ধরা হয়, সেসব খেলনা খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়। গত আগস্ট মাস থেকে ‘রায়ানস ওয়ার্ল্ড’ নামে খেলনা আর পোশাকের বেশকিছু আইটেম বিক্রি করতে শুরু করে খুচরা পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট। এখানে একটি ভিডিও দেখানো হয়, রায়ান এবং তার বাবা-মা নিজেদের খেলনা খুঁজছে, যে ভিডিওটি ইউটিউবে গত তিন মাসের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি বার দেখা হয়েছে। ওয়ালমার্ট থেকে পাওয়া লভ্যাংশ সামনের বছর রায়ানের আয়ে যোগ হবে বলে বলছে ফোর্বস। শিশু হওয়ার কারণে রায়ানের মোট আয়ের ১৫ শতাংশ একটি ব্যাংক একাউন্টে জমা করে রাখা হচ্ছে। যখন সে প্রাপ্তবয়স্ক হবে তখন এই টাকা তুলতে পারবে। রায়ানের একজোড়া জমজ বোনও রয়েছে। রায়ানের পরিবার নামে কিছু ভিডিওতে তাদেরও দেখা যাবে। রহস্য বালক : ইন্টারনেটে খুবই পরিচিত মুখগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও রায়ানের পরিচয় নিয়ে রয়েছে ব্যাপক রহস্য। তার নামের শেষাংশ কী, রায়ান কোথায় থাকে, কেউ জানে না। তবে একটি সাক্ষাৎকারে রায়ানের মা দাবি করেছেন, যখন তার ছেলের বয়স মাত্র ৩ বছর তখন এই ইউটিউব চ্যানেল করার আইডিয়া রায়ানই দিয়েছিল।

 

"